খুঁজুন
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৫ মাঘ, ১৪৩২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে ভারতীয় শিবিরে দুঃসংবাদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে ভারতীয় শিবিরে দুঃসংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আছে আর মাত্র কয়েকদিন। তবে এই টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইনজুরি ভালোভাবেই ভোগাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে।

আগেই জানা গিয়েছিল, ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের শুরুর দিকের কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারবেন না দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওয়াশিংটন সুন্দর।

এর মধ্যে এবার অন্য আশঙ্কার কালো মেঘ উড়ে এলো ভারতীয় শিবিরে। এবার ইনজুরি শঙ্কা দেখা দিয়েছে পেসার হার্শিত রানাকে নিয়ে।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়েছে ভারত। আর এই ম্যাচেই ঘটল বিপত্তি। ইনিংসে মাত্র এক ওভার বল করেই মাঠ ত্যাগ করেছেন পেসার হার্শিত রানা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বল করার সময় বেশ অসুবিধায় ভুগছিলেন হার্শিত। দুই বার বল করতে গিয়েও ফিরতে হয় তাকে। এরপর তিনি হাঁটু ধরতে বাধ্য হন এবং মাঠ থেকে আস্তে আস্তে হেঁটে বের হন।

ধারণা করা হচ্ছে, এই চোটে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবেন তিনি। যদিও বিসিসিআই’র পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইনজুরি থেকে ফিরেছেন দলটির তারকা ব্যাটার তিলক বর্মা। প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৪৫ রানের কার্যকরী এক ইনিংস খেলেন তিনি।

দুর্নীতির বরপুত্র সাভার পিআইও অফিসের (কোটিপতি) কর্মচারী শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

রাহাত সুমন
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ
   
দুর্নীতির বরপুত্র সাভার পিআইও অফিসের (কোটিপতি) কর্মচারী শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনস্থ ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর শামসুল ইসলাম । যিনি এই সরকারী প্রতিষ্ঠানের একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর দায়িত্বে কর্মরত অবস্থায় নিয়মবর্হিভূত অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে কোটি টাকার মালিক হন। বিভিন্নভাবে অনৈতিক কাজ করিয়ে দেওয়া ও অন্যায় কাজকে ন্যায়ভাবে করানোর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে। যা তার চাকরির বেতনের সাথে ব্যাপক অসঙ্গতি রয়েছে।এই দুর্নীতিবাজ কর্মচারী চাকরী জীবনের শুরু থেকেই ঘুষ ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। সরকারি অফিসে অনিয়মে অর্জিত টাকায় নামে বেনামে গড়ে তুলেছেন স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির পাহাড়।

বিগত অর্থ বৎসরে স্থানীয় সাংসদ বরাদ্দ দেয় উপজেলার বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আর এসব প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প কমিটির সভাপতির নিকট থেকে প্রতি টনের বিপরীতে অফিস খরচের কথা বলে শামসুল ইসলাম পিআইওর কাছ থেকে ডিও প্রদানের সময় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করেছেন।

অনুসন্ধানে আর জানা যায়, শামসুল ইসলাম ২০২৩ সালের ২৯শে জানুয়ারি  সাভার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদে যোগদান করে ।  এরপর থেকেই আওয়ামীলীগের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এনাম ও সাভারের ত্রাস সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাজিবের ছত্রছায়ায় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিল উত্তোলন, উপকারভোগীদের নাম পরিবর্তন করে আত্মীয়-স্বজনকে অন্তর্ভুক্ত করা, এমনকি প্রকল্প অনুমোদনের বিনিময়ে ঘুষ আদায় করার মতো গুরুতর অনিয়ম শুরু করেন । এ ছাড়াও ঠিকাদারদের সাথে আঁতাত করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ শেষ করে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমান সরকারি অর্থ।

অভিযোগ রয়েছে, বেশ কিছু গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার যোগসাযোগে নির্ধারিত কমিশনের বিনিময়ে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ তুলে নেন। মাঠে কাজের কোনো বাস্তবতা নেই, অথচ কাগজে-কলমে তা সম্পন্ন দেখিয়ে বিল পাশ করিয়ে নেন ।

স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদ্র ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন, প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুষ না দিলে কোনো কাজ হাতে পান না। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত কমিশনের বিনিময়ে তিনি অযোগ্য ঠিকাদারদের কাছেও কাজ পাইয়ে দিয়েছেন।

অনিয়ম সম্পর্কে প্রশ্ন করলে শামসুল ইসলামের পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তিনি আওয়ামীলীগের সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান এনামের ছত্রছায়ায় কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিএনপির কিছু নেতার সাথে ‘উপরে যোগাযোগ আছে’ বলে ভয় দেখিয়ে থাকেন।

ধামসনা ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি সদস্য বলেন, পিআইওর নাম করে অফিস সহকারী শামসুল ইসলাম কাবিখা কাবিটা, টি,আর এর ডিও ছাড় করার সময় রীতিমত আমাদের কাছ থেকে অফিস খরচের কথা বলে ২৫% থেকে ৩০% হারে টাকা অফিস খরচ নিচ্ছেন। আর তার দাবিকৃত টাকা দিতে না পারলে প্রকল্পের ডিও নেওয়ার সময় নানাভাবে হয়রানী করে থাকে। তাই তার দাবিকৃত টাকা বাধ্য হয়েই পরিশোধ করতে হয় বলে এ ইউপি সদস্যবৃন্দ জানিয়েছেন। “এভাবে চলতে থাকলে প্রকল্পের কোনো সঠিক বাস্তবায়ন হবে না। সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।” জনগণের অর্থে পরিচালিত সরকারি প্রকল্পে এমন দুর্নীতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এবং স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সাভার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে শুধু অনিয়ম-দুর্নীতিই নয়, অস্বাভাবিক হারে সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, একজন সরকারী নিম্নপদস্থ কর্মচারী হিসেবে সীমিত বেতনের চাকরিতে থেকেও শামসুল কয়েক বছরের মধ্যে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

জানা গেছে, তিনি সাভার রেডিও কলোনি ও আশপাশের এলাকায় একাধিক জমি, আলিশান বাড়ি এবং একটি নতুন মডেলের ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক হয়েছেন। এছাড়া, তার নামে বেনামে বেশ কয়েক জমি রেজিস্ট্রি রয়েছে বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। অনেকে দাবি করেছেন, তার নামে ব্যাংকে মোটা অংকের সঞ্চয় রয়েছে এবং কিছু সম্পত্তি ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের নামে রেখেছেন যাতে তদন্তের চোখ এড়িয়ে যেতে পারেন।

এইসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে শামসুল ইসলামের ০১৭১১-০১——৮৮ নাম্বারে বেশ কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

 

 

কুষ্টিয়ার পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব শাহজাহান আলীর ঘুষ ও দুর্নীতির রামরাজত্ব

অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
   
কুষ্টিয়ার পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব শাহজাহান আলীর ঘুষ ও দুর্নীতির রামরাজত্ব

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়ন ভুমি অফিস দীর্ঘদিন যাবৎ ঘুষ, অনিয়ম-দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতির অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।এই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তাসহ অফিসে কর্মরতদের চাহিদা মতো ঘুস দিলেই হয় সব কাজ, না দিলেই হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও এসি ল্যান্ড মহেদয়ের কঠোর নির্দেশ “” গ্রাহক ছাড়া এখানে অনাহুত কেউ প্রবেশ করবেনা”” কিন্তু পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কেউ সে কথা মানছেন না। উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) শাহজাহান আলী সহ অফিসের সব স্টাফকে অফিস চলাকালীন সময়ে নিজ নিজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে দৃশ্যমান রাখতে বলা হলেও, সেসব কেউ তোয়াক্কা করছেন না। তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণের রেকর্ড রুমেও অবাধে বিচরণ করছেন বহিরাগত দালাল সিন্ডিকেট সদস্যরা। কারণ হিসেবে জানা গেছে মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চাকরি করার সুবাদে শাহজাহান আলী এ অফিসকে নিজের আড্ডাবাজী আর ঘুষ কালেকশনের স্পট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব তথ্য ওঠে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়,  নায়েব শাহজাহান আলী পলাতক শেখ হাসিনার শাসনামলে নিজ কর্মস্থলগুলোকে লীগের ক্ষমতার বলয় সৃষ্টি করে গড়ে তুলেন শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট, যা আজও চলমান। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দিল্লি পালিয়ে গেলেও লীগের এই পেতাত্মার দাপট একটুও কমেনি। বরং বিভিন্ন ব্যক্তিকে VP ও AP প্রোপার্টিতে অনৈতিক সুযোগসুবিধা পাইয়ে দিয়ে প্রতিমাসে হাতিয়ে নেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এপি ভিপি ছাড়াও এলএ, ফিরনীবাস, হাটচাঁদনী, জলমহাল, বালুমহাল বরাদ্দ- নবায়ন ও জমির তদন্ত রিপোর্টের নামেও হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। নামজারি ( ই- নামজারি)র সরকারি খরচ ১১ শ ৭০ টাকা হলেও তিনি ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজারের নীচে কোনো নামজারি করেননা বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা।। আর “খ” শ্রেণীভূক্ত জমির নামজারিতে তিনি হাতিয়ে নেন ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া জমির নবায়ন ফি, ভূমি উন্নয়ন কর ও মিস কেস করতে সরকার নির্ধারিত ফির কয়েকগুণ বেশি অর্থ না দিলে তহশিলদার শাহজাহান আলী কোনো কাজ করেন না বলে জানান সেবাগ্রহীতারা। তাদের অভিযোগ, মিস কেস তদন্তের জন্য কোনো কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে যাতায়াত ও চা-নাস্তা খরচ ছাড়াও তাকে দিতে হয় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা। তদন্ত শেষে প্রতিবেদনের জন্য দিতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা। এসব টাকা থেকেও ফিফটি পারসেন্ট কমিশন নেন ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী শাহজাহান আলী।
আর মিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে রিপোর্ট গেলে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিস কেসের রায় এনে দেওয়ার চুক্তি করেন রশাহজাহান আলী নিজেই। আর এসব কাজ সম্পাদন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগোর মাধ্যমে।

ঘুষ লেনদেন এখানে ওপেন সিক্রেট। ভূক্তভোগী ও পোড়াদহ এলাকাবাসীও জানে ” এখানে দক্ষিণা ছাড়া নড়েনা ফাইল “। ফলে শাহজাহান আলীর পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রবেশের পূর্বেই সেবাপ্রত্যাশীরা চাহিদা মোতাবেক নগদ নারায়ণে তহশিলদার শাহজাহান আলীকে তুষ্ট করেই কার্য সম্পাদন করতে বাধ্য হন। আর ঘুষ না দিলে ভূক্তভোগীদের ঘুরতে হয় মাসের পর মাস। ঘুষ আদায়ের অপকৌশল হিসেবে শাহজাহান আলী প্রকাশ্যেই গ্রাহকদের সামনে বড়োগলায় বলে থাকেন, এসি ল্যান্ড, ইউএনও, ডিসি অফিস ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের বড়োবাবুকে ম্যানেজ করেই আমাদের অফিস পরিচালনা করতে হয় !! সব জায়গায় সিস্টেম করে আমি চলি তাই সংবাদমাধ্যমে কেউ কিছু লিখলেও আমার কিছুই করতে পারবেনা।

মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের আহাম্মদপুর গ্রামের সর্দারপাড়ার আমেনা খাতুন নামে ভুক্তভোগী এক নারী জানান, জমি খারিজের পর খাজনা দেওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছি। কিন্তু অফিসের নায়েব অনুমোদন দেননি। আবার আবেদন করেছি। প্রায় ৬ মাস ধরে অফিসে ঘুরছি। অফিসের পিওনের কাছেও ঘুরেছি। এখনো অনুমোদন মেলেনি, খাজনাও দিতে পারিনি।

বালিয়াশিশা গ্রামের রায়হান জানান, আমাদের একটি জমির খারিজের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ মিসকেস করেছে। এই মিসকেস থেকে কিভাবে উদ্ধার হওয়া যায় সেজন্য পোড়াদহ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবের কাছে যাই। এরপর নায়েব শাহজাহান আলী ও তার সঙ্গে থাকা একজন দালাল আমাদের জমির সব সম্যসা সমাধান করে দেওয়ার জন্য ৩০হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় এখন আমি এই মিসকেসের ঝামেলা থেকে উদ্ধার হতে পারিনি।

গোবিন্দপুর গ্রামের সোলাইমান জানান, আমার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৪৫ শতাংশ জমির খাজনা দেওয়ার জন্য পোড়াদহ ইউনিয়ন ভুমি অফিসের পিওন খাজনার চেক করে দেবে বলে ৯ হাজার টাকা দাবি করেন। সেইদিন চাহিদামতো টাকা দিইনি দেখে খাজনা করে দেননি। স্থানীয় ইয়াকুব নামের এক লোকের কাছে প্রস্তাবিত খতিয়ানে দিয়ে দুই হাজার দুইশ টাকা ঘুস নিয়েছে শাহজাহান আলী। ইয়াকুব জানালেন, নায়েব শাহজাহান আলী ঘুস ছাড়া কিছুই বোঝে না।

আহাম্মদপুর সর্দারপাড়া থেকে সেবা নিতে আসা আব্দুল জব্বারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘুষ গ্রহণের ঘটনা এই অফিসে হরহামেশাই ঘটে। বিষয়টি সবারই জানা। টাকা না দিলে পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হচ্ছেন ভূক্তভোগীরা।

এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে নায়েব শাহজাহান আলীর মোবাইল ০১৭১৮৯৭—৮৬ নাম্বারে কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেন নি। হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠালেও তিনি দেখও না দেখার ভান করে এড়িয়ে যান।।

ব্যাচেলর পয়েন্টে নতুন চমক ও রহস্যের ঝড়!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
   
ব্যাচেলর পয়েন্টে নতুন চমক ও রহস্যের ঝড়!
দর্শকদের বিনোদনের তৃষ্ণা মেটাতে আবারও বড় চমক নিয়ে হাজির দেশের শীর্ষস্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ। মুক্তি পেয়েছে কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর চ্যাপ্টার ৯, যেখানে একসঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে ৮টি নতুন পর্ব (পর্ব ৬৫-৭২)।
ছুটির দিনের অবসর আরও জমিয়ে তুলতে পর্বগুলো এখন এক্সক্লুসিভলি স্ট্রিমিং হচ্ছে শুধুমাত্র বঙ্গ-তে।
এবারের চ্যাপ্টারটি সাজানো হয়েছে টানটান উত্তেজনা, রহস্য আর হাসির জমজমাট মিশেলে। ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জীবনে আসছে একের পর এক নতুন মোড়।
হাবু ভাইয়ের এক লাখ টাকা বেতনের চাকরির রহস্য, পাশা ভাইয়ের নতুন হুমকি, আর ব্যাচেলরদের নিত্যনতুন কান্ডকারখানা-সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য থাকছে পূর্ণাঙ্গ বিনোদন।

ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। জাকির আর হাবু ভাইয়ের সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে? স্পর্শিয়াকে ঘিরে কি শুরু হবে নতুন কোনো গল্প? ফ্ল্যাটের পরিবেশ ওলটপালট করতে কি নতুন কেউ আসছে? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে চ্যাপ্টার ৯-এর এই নতুন পর্বগুলোতে।
বঙ্গ কর্তৃপক্ষ জানায়,“ব্যাচেলর পয়েন্ট দর্শকদের আবেগের জায়গা। মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন এপিসোড রিলিজের যে প্রতিশ্রুতি আমরা দিয়েছিলাম, তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই মুক্তি পেয়েছে এই পর্বগুলো। দর্শকরা বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবার নিয়ে একসঙ্গে উপভোগ করবেন-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

You cannot copy content of this page