খুঁজুন
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

নরসিংদীতে বাবার সামনেই তুলে নেওয়া হলো কিশোরীকে, সরিষা ক্ষেতে মিলল মরদেহ

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
নরসিংদীতে বাবার সামনেই তুলে নেওয়া হলো কিশোরীকে, সরিষা ক্ষেতে মিলল মরদেহ

নরসিংদীর মাধবদীতে এক কিশোরীকে অপহরণ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বখাটে ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। নিহত কিশোরীর নাম আমেনা আক্তার (১৮)।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানা এলাকার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় আমেনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আমেনা বরিশালের বাসিন্দা আশরাফ হোসেনের মেয়ে। পরিবারটি মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিল।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদের নেতৃত্বে ৫–৬ জনের একটি দল আমেনাকে অপহরণ করে। সে সময় স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে বুধবার রাতে আবারও ভয়াবহ ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

বুধবার রাত আনুমানিক কাজ শেষে বাবা আশরাফ হোসেন মেয়েকে খালার বাড়িতে পৌঁছে দিতে বের হন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে নূর মোহাম্মদ ও তার সহযোগীরা বাবার সামনে থেকেই জোরপূর্বক আমেনাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর সারারাত খোঁজাখুঁজি করেও মেয়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরদিন সকালে খবর আসে, পাশের একটি সরিষা ক্ষেতে আমেনার মরদেহ পড়ে আছে।

নিহতের বাবা মো. আশরাফ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার চোখের সামনেই আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে যায়। সারারাত খুঁজেও পাইনি। সকালে শুনি আমার সন্তানের লাশ পাওয়া গেছে। যারা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে কামাল হোসেন, ওসি, মাধবদী থানা বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত কিশোরীর সঙ্গে নূর মোহাম্মদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা পরিবার মেনে নেয়নি। বুধবার রাতে তাকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সকালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।”

তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। ইতোমধ্যে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে কি না, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত বিচার ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কুমিল্লার বুড়িচং এ জামিন পাওয়া আ.লীগ নেতার বাসায় মিষ্টি নিয়ে গেলেন বিএনপি নেতা

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
   
কুমিল্লার বুড়িচং এ জামিন পাওয়া আ.লীগ নেতার বাসায় মিষ্টি নিয়ে গেলেন বিএনপি নেতা

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতার জামিন পাওয়ার পর তার বাসায় মিষ্টি ও ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছেন উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।

বুধবার উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এদিন রাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দারের সাথে বিএনপি সোহেল আহমেদের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়।

এছাড়াও গুঞ্জন রয়েছে বিএনপি থেকে সুবিধা নেয়ার জন্য সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল আহমেদ বিএনপিতে যোগদান করে। বিএনপিতে যোগদান করলেও আওয়ামী লীগের নেতাদের বাসায় রীতিমতো আসা যাওয়া করেন।

বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ,

বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে, উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দারের বাসায় মিষ্টি নিয়ে গিয়েছিলেন এই বিষয়ে জানতে চাইলে বুড়িচং উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ বলেন, বাসায় যাওয়া কি অন্যায় নাকি। এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ বিএনপি সব সমান।বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এটিএম মিজানুর রহমানের সাথে কথা বলেন।

বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদের ঘুষ দুর্নীতির দালাল সিন্ডিকেট

রাহাত সুমন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
   
বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদের ঘুষ দুর্নীতির দালাল সিন্ডিকেট

বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ পূর্বাচল ঢাকা এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ঘুষ টাকার বিনিময় ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ ও জাতীর ক্ষতিসাধন করেছে।

এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক জনপদ ও মহাসড়ক বিভাগ,সড়ক জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি

অভিযোগসূত্রে জানা যায় যে,মো.রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,পূর্বাচল,আবাসিক এলাকায় জকায় কমরত আছেন। তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রহক হয়রানি করে মুষর টাকার বিনিময়ে ফিটনেস বিহীন ও রাস্তা চলাচলের অযোগ্য গাড়ীগুলোকে ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীকে সংকটেনর দিকে ফেলে দিয়ে দুঃঘটনা ঘটানো ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

রাসেল এর মতো একজন ঘুষখোর ও সামান্য নিভর কমবার্তা ঢাকা মেট্রো-৪ এ কমবত থাকলে। মাকার অযোগ্য ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীর ক্ষতিসাধন করেই যাচ্ছেন। ফিটনেস বিহীন ও ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করা গাড়ীগুলোর নাম্বার উল্লেখ করা হলোঃ গত ০৩/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার। DHAKA METRO-CHA-20-0108, DHAKA METRO-U-11-7535, DHAKA METRO-MA-13-0412, DHAKA METRO-GHA-12-0132,

DHAKA METRO-GA-20-5032,DHAKA METRO-GHA-13-3218,DHAKA METRO-GHA-14-5910,

গত ০৫/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GHA-14-8464, DHAKA METRO-MA-13-0789, DHAKA,METRO-AU-11-5572

গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA

METRO-GA-22-8452, DHAKA,METRO-GA-19-0151, DHAKA,METRO-MA-11-0066, DHAKA METRO-GHA-12-0075, DHAKA,METRO-KHA-11-4699, DHAKA METRO-MA-11-1548, DHAKA,METRO-THA-11-6269

এই গাড়ীগুলো গত ০৯-০২-২০২৬ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস দেওয়া হয়েছে।

DHAKA METRO-THA-12-0333, DHAKA METRO-THA-12-0328, DHAKA METRO-JHA- 11-1009, DHAKA METRO-CHA-14-8169,DHAKA METRO-KHA-12-3105, DHAKA METRO-DA-11-8635,DHAKA METRO-BHA-12-0151, DHAKA METRO-U-14-2377,রাসেল আহমেদ উক্ত গাড়ীগুলো টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। উপরোক্ত গাড়ীগুলো

CHATTA-METRO-MA-11-0881
অধিকাংশ ফিটনেসবিহীন ও পরিত্যাক্ত হওয়ায় ঘুষের টাকার বিনিময়ে দালাল এর মাধ্যমে ফিটনেস সনদ ইস্যু করেছেন। বাসেল আহমেদ একজন ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক ইমরান খানের নিদের্শ মোতাবেক উপরোক্ত গাড়ীগুলো ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। রাসেল আহমেদের পূর্বের কর্মস্থলে শত শত অভিযোগ থাকার পরেও তিনি তদবির করে ঢাকায় বদলী হয়ে এসেই পূর্ণরায় ঢাকা মেট্রো-৪ দুর্নীতি শুরু করেছেন এবং দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করিতেছেন। রাসেল আহমেদ একজন লেবাসধারী ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক। তার কারণে দেশ জাতী রাস্তা চলাচলের সংকটের মধ্যে যে কোন সময়ে পরিত্যাক্ত ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলোর কারণে রাস্তায় বড় আকারে দুঃঘটনা ঘটতে পারে। এর জন্য রাসেল আহমেদ ও তার সহযোগী ইমরান খান বড় দায়ী। রাসেল এর পিতার নাম-বশির আহমেদ,মাতর নাম-নুরুন্নাহার স্ত্রীর নাম-উম্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭, জন্ম তারিখ-০১/০১/১৯৯৩ইং,তার ঠিকানা:গ্রাম-চর কুমারিয়া,উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া, থানা-জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫, কর অঞ্চল-৩,ঢাকা। রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের একাধিক ফ্ল্যাট প্লট,গাড়ী, বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। এছাড়াও ভোলায় একাধিক বাড়ী এবং বরিশালে একাধিক বাড়ী এবং ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে। রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দায়ের করার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করত এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-০৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে বিআরটিএ দালাল সিন্ডিকেট ও অবৈধ কমকান্ড চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ঘুষ দুর্নীতি বিষয় তদন্ত করে তারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

৬০০ টাকা না পেয়ে ঠিকাদারকে তালাবদ্ধ রাখলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আলামিন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
   
৬০০ টাকা না পেয়ে ঠিকাদারকে তালাবদ্ধ রাখলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আলামিন

টেন্ডারের জামানত ছাড়কে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় এক ঠিকাদারকে অফিস কক্ষে ঘন্টাখানিক আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, তিনি একটি টেন্ডারের বিপরীতে জমা রাখা ১ লাখ ৪২ হাজার টাকার জামানত ছাড় করতে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলামিন হোসেন তার কাছে দেড় হাজার টাকা দাবি করেন। প্রথমে এক হাজার টাকা দেওয়ার পরও ফাইল ছাড় না হওয়ায় বৃহস্পতিবার আবার অফিসে যান। সেখানে আরও ৫০০ টাকা ও অফিস সহায়কের জন্য ১০০ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

জাহাঙ্গীর হোসেনের দাবি, তখন তাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। পরে অন্যান্য ঠিকাদারদের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্ত হন। ঘটনার সময় উপস্থিত জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দীন লিটন ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেন।

অন্যদিকে সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী জানান, ঠিকাদার জাহাঙ্গীর হোসেন অফিসের এসও আলামিনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে তিনি এসও আলামিনকে মারতে উদ্যত হয়। দু’পক্ষের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জাহাঙ্গীরকে সেভ করার জন্য একটি ঘরে তালা বন্ধ করে রাখা হয়। এরপর জেলা ঠিকাদার কল্যাণ কমিটির লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। তার পৌঁছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় দু’পক্ষের মিমাংসা হয়েছে।সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত জানান, দু’পক্ষের মিমাংসা করা হয়েছে। তবে কেউ ঘুষ নিয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

You cannot copy content of this page