খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩২

নারায়ণগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ্র আহমেদের নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট

রাহাত সুমন
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ
নারায়ণগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ্র আহমেদের নিয়োগ বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মতো একটি কৌশলগত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে যদি প্রশ্নফাঁসই হয়ে ওঠে নিয়োগের নিয়তি, তবে সেটি কেবল দুর্নীতি নয়- রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা। পাউবোর নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী শুভ্র আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সেই ভয়াবহ বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।

গত নভেম্বরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর দায়ের করা লিখিত অভিযোগে প্রশ্নফাঁস, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার সিন্ডিকেট, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষায়, পাউবোর এ কর্মকর্তা যেন আলোচিত বিসিএস প্রশ্নফাঁসের হোতা ড্রাইভার আবেদ আলীরই পথ অনুসরণকারী এক নতুন নাম।

প্রশ্নফাঁস: নিয়োগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভাঙার অভিযোগ
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুভ্র আহমেদ ২০১৮ সালে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে পাউবোতে যোগ দেন। কিন্তু ২০১৯ সালেই তিনি মানব সম্পদ পরিদফতরের নিয়োগ শাখায় এমন এক সংবেদনশীল দায়িত্বে যুক্ত হন, যেখান থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, টাইপিং ও প্রিন্টিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ তৈরি হয়।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পাউবোর নিয়োগ পরীক্ষাগুলো অভ্যন্তরীণভাবে পরিচালিত হতো। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময়টিতে প্রশ্নপত্র টাইপিং ও প্রিন্টিংয়ের দায়িত্বে থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরীক্ষার আগেই অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছে। একাধিক পরীক্ষার্থী ও দালালচক্রের মাধ্যমে এ প্রশ্নফাঁস পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
প্রশ্নফাঁস কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়। এটি মেধাকে হত্যা করে, যোগ্যতাকে নির্বাসনে পাঠায়। একজন সরকারি প্রকৌশলীর হাতে প্রশ্নপত্র নিরাপদ না থাকলে সে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় দাঁড়ায়- এ প্রশ্নই এখন উঠছে।

নিয়োগ শাখা: ব্যক্তিগত আয়ের যন্ত্র?
অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগ শাখা শুভ্র আহমেদের কাছে কার্যত একটি অবাধ অর্থ উপার্জনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। চাকরি পেতে যোগ্যতার বদলে দরকার ছিল টাকা ও যোগাযোগ। এর ফলে বহু যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থার ওপর তরুণদের আস্থা ভেঙে পড়েছে।
এ প্রেক্ষাপটেই অভিযোগকারীরা পাউবোর শুভ্রকে আবেদ আলীর সঙ্গে তুলনা করছেন। কৌশল ভিন্ন হলেও লক্ষ্য এক- নিয়োগ ব্যবস্থাকে লুটপাটের যন্ত্রে পরিণত করা।

পদোন্নতি ও নারায়ণগঞ্জে দুর্নীতির বিস্তার
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এমন অভিযোগের মধ্যেই শুভ্র আহমেদ পদোন্নতি পান। অভিযোগ রয়েছে, মেধাক্রম উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে তিনি নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে উন্নীত হন- যা পাউবোর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে দাবি করা হয়েছে।

এরপরই তাকে নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় দায়িত্ব দেয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্ব নেয়ার পরপরই তিনি টেন্ডার সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। পরিচালন খাতের টেন্ডার নিজের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের পাইয়ে দেয়া হয়। জলাবদ্ধতা নিরসনের নামে বরাদ্দ অর্থ ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে।
বাস্তবতা কী বলছে? শুষ্ক মৌসুমেও নারায়ণগঞ্জের বহু এলাকায় জলাবদ্ধতা কমেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ হয়েছে কাগজে-কলমে। মাঠপর্যায়ে তার কোনো দৃশ্যমান ফল নেই।

দফতর পরিচালনায় অনিয়ম
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনে তিনি চরমভাবে উদাসীন। এলাকাবাসী জানায়, অফিসে গিয়ে অধিকাংশ সময়ই তাকে পাওয়া যায় না। ব্যক্তিগত কাজে নিয়মিত অফিসের বাইরে থাকেন। সরকারি গাড়ি অফিস সময়ের পর ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। এতে জ্বালানি ব্যয়সহ সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্য সম্পদ
দুদকে দেয়া অভিযোগে শুভ্র আহমেদের সম্পদের একটি বিস্তৃত তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালে নিজ জেলা নওগাঁয় তিনি একটি বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেন। ঢাকার কেরানীগঞ্জে রয়েছে ১৮০০ বর্গফুটের একটি প্লট।

এছাড়া ঢাকা ও গাজীপুরে তার নামে-বেনামে একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি, খামার এবং একটি রিসোর্টে শেয়ার থাকার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের কথাও অভিযোগে উঠে এসেছে। প্রশ্ন উঠেছে- একজন সরকারি প্রকৌশলীর বৈধ আয়ে এ সম্পদ কীভাবে সম্ভব?

পতিত আ.লীগের ছত্রছায়া: সাহসের উৎস
অভিযোগে বলা হয়েছে, শুভ্র আহমেদ নিজেকে আওয়ামী লীগ সরকার আমলের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিতেন। এ পরিচয়ই ছিল তার সবচেয়ে বড় ঢাল। এ প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

রাজনৈতিক পরিচয় যদি দুর্নীতির লাইসেন্স হয়ে যায়, তবে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি কোথায় দাঁড়ায়- এ প্রশ্ন এখন অনিবার্য। এ অভিযোগ যদি সত্যের কাছাকাছিও হয়, তবে প্রশ্ন শুধু একজন কর্মকর্তাকে ঘিরে নয়। কীভাবে একজন কর্মকর্তা সাত বছর ধরে একই নিয়োগ শাখায় থাকেন? পদোন্নতির সময় যাচাই কোথায় ছিল? টেন্ডার ও সম্পদের বিষয়গুলো এতদিন নজরের বাইরে থাকল কীভাবে?

দুদকের জন্য এটি কেবল একটি অভিযোগ নয়- এটি রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থার আস্থার প্রশ্ন। দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান তদন্ত ছাড়া এ আস্থা ফিরবে না। পাউবোর শুভ্র যদি সত্যিই আবেদ আলীর পথেই হাঁটেন, তবে থামাতে হবে এখনই। নইলে বার্তা যাবে ভয়ংকর- ক্ষমতা থাকলে প্রশ্নফাঁস করেও পার পাওয়া যায়। জনস্বার্থে এ অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।

প্রকৌশলী শুভ্রর বক্তব্য-
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শুভ্র আহমেদ অভিযোগগুলোর বিষয়ে অবগত হন। তিনি বলেন, আমি প্রশ্নপত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না, ওসব উর্ধতন কর্তৃপক্ষ দেখে থাকেন। আওয়ামী লীগ শাসন আমলের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না।

সম্পদের বিবরণ শুনার পর তিনি বলেন, শুনতে ভালো লাগছে, এসব আমার থাকলে খুশি হতাম। অভিযোগগুলো আমাকে হেয় করার জন্য দাখিল করা হয়েছে, আমি ডেস্কে জব করে আসছি এখানে দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে জামায়াত ইসলামীর ইফতারের দাওয়াত

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
   
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সপরিবারে জামায়াত ইসলামীর ইফতারের দাওয়াত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সপরিবারে ইফতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে দাওয়াত গ্রহণ করেছেন।

বুধবার সকালে দাওয়াতপত্র নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করে জামায়াতের প্রতিনিধি দল।

সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াত নেতাদের এই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মুঠোফোনে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির সব বিতর্কের জায়গা যেন সংসদ হয়। এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে জামায়াত নেতারা বলেন, রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন হতে পারে, তবে অতীতের মতো রাজনীতিতে খারাপ চর্চা যেন না হয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, বিরোধী দল ও সরকারি দলের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় ও সহমিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে।

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের বিরুদ্ধে উপ-রেজিস্ট্রারের ওপর হামলার অভিযোগ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
   
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের বিরুদ্ধে উপ-রেজিস্ট্রারের ওপর হামলার অভিযোগ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার খন্দকার এহসান হাবীবের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী হৃদয়, আলামিনসহ আরো কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী খন্দকার এহসান হাবীব জানান, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে উপাচার্য দপ্তরে যায়। সে সময় তিনি উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএস) কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে মেডিকেল সেন্টারের সামনে ইমরান হোসেন প্রধান ও আলামিনের নেতৃত্বে একটি দল তার পথরোধ করে জানতে চায়, তিনি কেন উপাচার্য দপ্তরে গিয়েছিলেন এবং ভবিষ্যতে সেখানে যেতে নিষেধ করে।

তিনি বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. মাহবুবুর রহমান লিটনকে অবহিত করার কথা বললে ইমরান ও হৃদয় তার ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করেন। এ সময় অপর উপ-রেজিস্ট্রার আমিনুল ইসলাম বাধা দিতে গেলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়।

উল্লেখ্য, খন্দকার এহসান হাবীব জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা প্যানেল থেকে দুইবার সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করায় তিনি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একাধিক মামলার শিকার এবং চাকরিচ্যুত হন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে ৫ আগস্টের পর উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা উপাচার্যের কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে তাকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কক্সবাজারে জামিনে মুক্ত হয়ে এমপি কাজলের সঙ্গে আ.লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরীর সাক্ষাৎ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
   
কক্সবাজারে জামিনে মুক্ত হয়ে এমপি কাজলের সঙ্গে আ.লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরীর সাক্ষাৎ

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের আলোচিত উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী বুধবার (২৫ফেব্রুয়ারি) বিকালে জামিনে মুক্তি পেয়েই কক্সবাজার-৩ আসনের নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলের সাথে পুষ্পমাল্য নিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।

এ সময় তার সাথে ছিলেন জামিনে মুক্তি পাওয়া আরেক আলোচিত ব্যাক্তি ফিরোজ আহমদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা মূহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে। উপজেলার রাজনৈতিক বোদ্ধাদের অভিমত আলোচিত সোহেল জাহান চৌধুরী বিএনপির সংসদ সদস্যদের সাথে সাক্ষাতের ঘটনায় উপজেলা বিএনপিতে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি হতে পারে।প্রসঙ্গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রকাশ্যে ঈদগাঁও পাল পাড়সহ ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানে ধানের শীষের জন্য ভোট ক্যাম্পেইন শুরু করেন আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী। যা ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলে। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে নিজ ঘর থেকে তাকে যৌথবাহিনী আটক করে।

You cannot copy content of this page