খুঁজুন
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কিমিটির সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তার এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আজ (শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ এগুলো বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিলো এগুলো তাদের ভাষা।’তিনি বলেন, ‘এগুলো বললে আমাকে ভারতের দালাল বানিয়ে ফেলবে তারপরও আমি বলবো কারণ আমার জীবন আছে বলেই আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছি এবং আমি মন্ত্রী হয়েছি।

বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
   
বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা-এ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপজেলা বিএনপি সভাপতির মধ্যে ফোনালাপকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ড ঘিরে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা যায়, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাহুবল উপজেলা শাখার সভাপতি উপজেলা মধ্যে কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের সময় বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই ফোনালাপের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি নম্বর থেকে ফোনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসিগিরি করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করে বলেন, ওসি মহাসড়কে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করে তা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তিনি উত্থাপন করেন। বিষয়গুলো নিয়ে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে অবগত করেছেন বলেও দাবি করেন। পাশাপাশি জুয়া সংশ্লিষ্টতা ও টাকার বিনিময়ে মামলা গ্রহণের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

এ ঘটনার পর ফেরদৌস চৌধুরী তুষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। লাইভটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
   
তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান, এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের দুটি সভায় উনার বক্তব্য এবং কথাগুলো শোনার সুযোগ হয়েছে। উনি বড় একজন পাহারাদার হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস এবং মনে হয়েছে। উনি সততাকে বেশি মূল্যায়ন করবেন বা করছেন। প্রথমদিন থেকেই উনি প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়-মন্ত্রী ও ডিপার্টমেন্টের ব্যাপারে একটিভ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য

এ্যানি বলেন, কোন রাজনৈতিক প্রভাবে কারণে, দলীয় প্রভাবের কারনে কোন সাধারণ মানুষ, সাধারণ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই সুযোগ থাকবে না। আমার ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব, এটা একটা আমানত। এই কঠিন দায়িত্ব পালনে করার জন্য আমি সজাগ এবং সতর্ক আছি। চেয়ে গেছিলো আমাদের দেশে দুর্নীতি। আমাদের এই দুর্নীতিমুক্ত একটা পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করা আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।তিনি বলেন, ৫ দিন হয়েছে আমরা শপথ নিয়েছি। বিএনপি সরকার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিরোধী দলের যারা রয়েছেন, আমরা আশা করেছিলাম যেদিন আমরা শপথ নেবো, সেদিন বিরোধীদল উপস্থিত থাকবেন। আশা করেছিলাম, তারা আমাদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করবেন। প্রথমদিন থেকেই আমরা সেই আশা নিয়ে বসে আছি এবং সামনের দিনগুলোতেও থাকবো। একটা সরকার শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের কর্মকান্ড শুরু হয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য যে যুদ্ধ, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা-আকাঙ্খা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সেদিন যদি উনারা উপস্থিত থাকতেন, তাহলে ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া সুন্দর হতো। হয়তো অতটুকু চিন্তা উনারা করেননি। কিন্তু এখন থেকে চিন্তা করতে হবে বিরোধী দলকে।

বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগীতা প্রয়োজন। ভোটের পরিবেশ কেমন ছিল, ভোটটা কেমন হয়েছে, কতটুকু চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা ভোট করেছি যার যার অবস্থান থেকে এটা ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু ভোট হওয়ার দিন থেকেই আমি যদি বলি ভোটটা ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, ম্যানেজ ইলেকশন হয়েছে, এটা আমাদেরকে আহত করে। এই বক্তব্যটি না দিয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটা একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের অবস্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রয়েছেন। আমরা এবং আপনাদেরকে সত্যিকারভাবে জনগণের আকাঙ্খা-প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য একটা দেশপ্রেমিক সরকার থাকবে। দেশপ্রেমিক সরকারের অংশ হিসেবে বিরোধীদলের মতের পার্থক্য থাকতে পারে, পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের প্রয়োজনে আমরা এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করবো।

লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেড এম ফারুকী ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।

মোনাজাতে শহীদ জিয়ার নাম না নেয়ায় ইবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ; তোপের মুখে পুনরায় দোয়া

ইবি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
   
মোনাজাতে শহীদ জিয়ার নাম না নেয়ায় ইবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ; তোপের মুখে পুনরায় দোয়া

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহিদদের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত মোনাজাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম না নেয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রদলের প্রতিবাদের মুখে ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করে দ্বিতীয়বার মোনাজাত পরিচালনা করতে বাধ্য হন।

রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব আশরাফ উদ্দিন খান। তবে মোনাজাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং প্রতিবাদ শুরু করেন।শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ইমাম সাহেব অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি, তিনি কখনোই জিয়ার নাম বাদ দেন না। এটি বিশ্ববিদ্যালয় উদযাপন কমিটি ও প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত কারসাজি বলে আমরা মনে করি। যার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছেন, তার নাম নিতে ভুল হওয়া রহস্যজনক। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুনসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা নিজেরাও জিয়ার আদর্শের সৈনিক। ইমাম সাহেব ভুলবশত নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রতিবাদ জানানোর পর ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করে পুনরায় মোনাজাত করেছেন।

প্রোভিসি প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী জানান, আমি দোয়ার আগেই খতিবকে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়াসহ বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলদের জন্য দোয়ার কথা বলেছিলাম। মানুষ হিসেবে খতিব হয়তো ভুলে গেছেন। এটি নিয়ে হৈচৈ করার কিছু নেই।

এদিকে মোনাজাত নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার একপর্যায়ে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণেই শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইটের সাথে প্রোভিসির বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে প্রোভিসি বলেন, সুইট ছোট মানুষ, না বুঝেই উত্তেজিত হয়েছিল। উদযাপন কমিটিতে আমার ভূমিকা নিয়ে তার ভুল ধারণা ছিল।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং দ্বিতীয়বার যথাযথভাবে মোনাজাত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবেশ শান্ত হয়।

You cannot copy content of this page