খুঁজুন
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

রোজার পরই সিটি নির্বাচন, জামায়াতের প্রস্তুতি শুরু এক বছর আগেই

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
রোজার পরই সিটি নির্বাচন, জামায়াতের প্রস্তুতি শুরু এক বছর আগেই

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদার করেছে সংসদের বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হলেও সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে জয় অর্জনকে দলটির কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধন করেছে। পাশাপাশি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশেও আনা হয়েছে পরিবর্তন। এসব সংশোধনী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পুনরায় নির্দলীয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তবে এ ব্যবস্থার বিরোধিতা করে আসছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে দলটির দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় পদ্ধতিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এক বছর আগেই শুরু প্রস্তুতি

২০২৪ সালের আগস্টে আইন সংশোধনের পর অন্তর্বর্তী সরকার জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা ভেঙে দেয়। এরপর থেকে এসব প্রতিষ্ঠান প্রশাসকদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদগুলো কার্যকর থাকলেও বহু চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকায় সেখানেও প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর। এতে স্থানীয় প্রশাসনে কার্যক্রমের গতি কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

রমজানের পর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে- এমন সম্ভাবনা ধরে নিয়েই প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট। ঢাকার দুই সিটির আওতাধীন একাধিক ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছেন এবং স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবদুল হালিম জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় বা স্থানীয়-সব ধরনের নির্বাচনের জন্যই সারাবছর প্রস্তুতি অব্যাহত থাকে। তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন কারা পাবেন, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

জোট থাকবে, মেয়র পদে ছাড় নয়

সংসদ নির্বাচনে জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতে কয়েকটি আসন শরিকদের ছেড়ে দিলেও রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে জামায়াত। যদিও কাউন্সিলর পদে সমঝোতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেসব নেতা জোটগত কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকায় সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নির্ধারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শুরু হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হলে দল নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
   
বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা-এ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপজেলা বিএনপি সভাপতির মধ্যে ফোনালাপকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ড ঘিরে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা যায়, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাহুবল উপজেলা শাখার সভাপতি উপজেলা মধ্যে কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের সময় বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই ফোনালাপের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি নম্বর থেকে ফোনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসিগিরি করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করে বলেন, ওসি মহাসড়কে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করে তা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তিনি উত্থাপন করেন। বিষয়গুলো নিয়ে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে অবগত করেছেন বলেও দাবি করেন। পাশাপাশি জুয়া সংশ্লিষ্টতা ও টাকার বিনিময়ে মামলা গ্রহণের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

এ ঘটনার পর ফেরদৌস চৌধুরী তুষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। লাইভটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কিমিটির সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তার এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আজ (শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ এগুলো বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিলো এগুলো তাদের ভাষা।’তিনি বলেন, ‘এগুলো বললে আমাকে ভারতের দালাল বানিয়ে ফেলবে তারপরও আমি বলবো কারণ আমার জীবন আছে বলেই আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছি এবং আমি মন্ত্রী হয়েছি।

তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
   
তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান, এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের দুটি সভায় উনার বক্তব্য এবং কথাগুলো শোনার সুযোগ হয়েছে। উনি বড় একজন পাহারাদার হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস এবং মনে হয়েছে। উনি সততাকে বেশি মূল্যায়ন করবেন বা করছেন। প্রথমদিন থেকেই উনি প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়-মন্ত্রী ও ডিপার্টমেন্টের ব্যাপারে একটিভ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য

এ্যানি বলেন, কোন রাজনৈতিক প্রভাবে কারণে, দলীয় প্রভাবের কারনে কোন সাধারণ মানুষ, সাধারণ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই সুযোগ থাকবে না। আমার ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব, এটা একটা আমানত। এই কঠিন দায়িত্ব পালনে করার জন্য আমি সজাগ এবং সতর্ক আছি। চেয়ে গেছিলো আমাদের দেশে দুর্নীতি। আমাদের এই দুর্নীতিমুক্ত একটা পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করা আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।তিনি বলেন, ৫ দিন হয়েছে আমরা শপথ নিয়েছি। বিএনপি সরকার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিরোধী দলের যারা রয়েছেন, আমরা আশা করেছিলাম যেদিন আমরা শপথ নেবো, সেদিন বিরোধীদল উপস্থিত থাকবেন। আশা করেছিলাম, তারা আমাদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করবেন। প্রথমদিন থেকেই আমরা সেই আশা নিয়ে বসে আছি এবং সামনের দিনগুলোতেও থাকবো। একটা সরকার শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের কর্মকান্ড শুরু হয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য যে যুদ্ধ, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা-আকাঙ্খা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সেদিন যদি উনারা উপস্থিত থাকতেন, তাহলে ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া সুন্দর হতো। হয়তো অতটুকু চিন্তা উনারা করেননি। কিন্তু এখন থেকে চিন্তা করতে হবে বিরোধী দলকে।

বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগীতা প্রয়োজন। ভোটের পরিবেশ কেমন ছিল, ভোটটা কেমন হয়েছে, কতটুকু চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা ভোট করেছি যার যার অবস্থান থেকে এটা ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু ভোট হওয়ার দিন থেকেই আমি যদি বলি ভোটটা ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, ম্যানেজ ইলেকশন হয়েছে, এটা আমাদেরকে আহত করে। এই বক্তব্যটি না দিয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটা একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের অবস্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রয়েছেন। আমরা এবং আপনাদেরকে সত্যিকারভাবে জনগণের আকাঙ্খা-প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য একটা দেশপ্রেমিক সরকার থাকবে। দেশপ্রেমিক সরকারের অংশ হিসেবে বিরোধীদলের মতের পার্থক্য থাকতে পারে, পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের প্রয়োজনে আমরা এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করবো।

লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেড এম ফারুকী ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।

You cannot copy content of this page