বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪ পূর্বাচল ঢাকা এর মোটরযান পরিদর্শক রাসেল আহমেদ,গ্রাহকদের হয়রানি করে ঘুষ দুর্নীতি মাধ্যমে দালালাদের সিন্ডিকেট গড়ে তুলে ঘুষ টাকার বিনিময় ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ ও জাতীর ক্ষতিসাধন করেছে।
এসব বিষয়ের তদন্ত চেয়ে সড়ক জনপদ ও মহাসড়ক বিভাগ,সড়ক জনপদ ও সেতু মন্ত্রণালয়র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুস সালাম নামের এক ব্যক্তি
অভিযোগসূত্রে জানা যায় যে,মো.রাসেল আহমেদ,মোটরযান পরিদর্শক,বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪,পূর্বাচল,আবাসিক এলাকায় জকায় কমরত আছেন। তিনি দালালদের মাধ্যমে গ্রহক হয়রানি করে মুষর টাকার বিনিময়ে ফিটনেস বিহীন ও রাস্তা চলাচলের অযোগ্য গাড়ীগুলোকে ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীকে সংকটেনর দিকে ফেলে দিয়ে দুঃঘটনা ঘটানো ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
রাসেল এর মতো একজন ঘুষখোর ও সামান্য নিভর কমবার্তা ঢাকা মেট্রো-৪ এ কমবত থাকলে। মাকার অযোগ্য ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলো ফিটনেস দিয়ে দেশ জাতীর ক্ষতিসাধন করেই যাচ্ছেন। ফিটনেস বিহীন ও ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করা গাড়ীগুলোর নাম্বার উল্লেখ করা হলোঃ গত ০৩/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার। DHAKA METRO-CHA-20-0108, DHAKA METRO-U-11-7535, DHAKA METRO-MA-13-0412, DHAKA METRO-GHA-12-0132,
DHAKA METRO-GA-20-5032,DHAKA METRO-GHA-13-3218,DHAKA METRO-GHA-14-5910,
গত ০৫/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA
METRO-GHA-14-8464, DHAKA METRO-MA-13-0789, DHAKA,METRO-AU-11-5572
গত ০৮/০২/২০২৬ ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদানের গাড়ী নম্বার: DHAKA
METRO-GA-22-8452, DHAKA,METRO-GA-19-0151, DHAKA,METRO-MA-11-0066, DHAKA METRO-GHA-12-0075, DHAKA,METRO-KHA-11-4699, DHAKA METRO-MA-11-1548, DHAKA,METRO-THA-11-6269
এই গাড়ীগুলো গত ০৯-০২-২০২৬ইং তারিখ ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস দেওয়া হয়েছে।
DHAKA METRO-THA-12-0333, DHAKA METRO-THA-12-0328, DHAKA METRO-JHA- 11-1009, DHAKA METRO-CHA-14-8169,DHAKA METRO-KHA-12-3105, DHAKA METRO-DA-11-8635,DHAKA METRO-BHA-12-0151, DHAKA METRO-U-14-2377,রাসেল আহমেদ উক্ত গাড়ীগুলো টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। উপরোক্ত গাড়ীগুলো
CHATTA-METRO-MA-11-0881
অধিকাংশ ফিটনেসবিহীন ও পরিত্যাক্ত হওয়ায় ঘুষের টাকার বিনিময়ে দালাল এর মাধ্যমে ফিটনেস সনদ ইস্যু করেছেন। বাসেল আহমেদ একজন ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক তিনি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহকারী পরিচালক ইমরান খানের নিদের্শ মোতাবেক উপরোক্ত গাড়ীগুলো ঘুষের টাকার বিনিময়ে ফিটনেস প্রদান করেছেন। রাসেল আহমেদের পূর্বের কর্মস্থলে শত শত অভিযোগ থাকার পরেও তিনি তদবির করে ঢাকায় বদলী হয়ে এসেই পূর্ণরায় ঢাকা মেট্রো-৪ দুর্নীতি শুরু করেছেন এবং দালাল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করিতেছেন। রাসেল আহমেদ একজন লেবাসধারী ঘুষখোর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক। তার কারণে দেশ জাতী রাস্তা চলাচলের সংকটের মধ্যে যে কোন সময়ে পরিত্যাক্ত ফিটনেস বিহীন গাড়ীগুলোর কারণে রাস্তায় বড় আকারে দুঃঘটনা ঘটতে পারে। এর জন্য রাসেল আহমেদ ও তার সহযোগী ইমরান খান বড় দায়ী। রাসেল এর পিতার নাম-বশির আহমেদ,মাতর নাম-নুরুন্নাহার স্ত্রীর নাম-উম্মে হানি। তার জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৩৪১৭০৬৯৯৭, জন্ম তারিখ-০১/০১/১৯৯৩ইং,তার ঠিকানা:গ্রাম-চর কুমারিয়া,উত্তর দিঘলদী, ডাকঘর-বালিয়া, থানা-জেলা-ভোলা। তার টিন নং-৫৪৫৪৬৯৫৭২২৬১, কর সার্কেল-৬৫, কর অঞ্চল-৩,ঢাকা। রাসেল আহমেদের ভোলা শহরে একটি ৬ষ্ঠ তলা বাড়ি রয়েছে। ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করে একটি কৃষি খামার বানিয়েছেন। ঢাকা শহরে রাসেল আহমেদের একাধিক ফ্ল্যাট প্লট,গাড়ী, বাড়ী সহ বিভিন্ন ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমিয়ে রেখেছেন নামে বেনামে। এছাড়াও ভোলায় একাধিক বাড়ী এবং বরিশালে একাধিক বাড়ী এবং ৪০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দপ্তরে ইতি পূর্বে শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত না করে অভিযোগ গুলো এখনও জমা রয়েছে। রাসেল আহমেদ বড় ক্ষমতাধর হওয়ায় তার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ দায়ের করার পরও কোন প্রকার প্রতিকার না পাওয়ায় বিআরটিএ এর গ্রাহকগণ হতাশ। তাই অতিদ্রুত রাসেল আহমেদ কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও দালাল সিন্ডিকেট এর বিষয়ে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করত এবং তাকে ঢাকা মেট্রো-০৪ থেকে প্রত্যাহার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে বিআরটিএ দালাল সিন্ডিকেট ও অবৈধ কমকান্ড চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ঘুষ দুর্নীতি বিষয় তদন্ত করে তারদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আপনার মতামত লিখুন