খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২ মাঘ, ১৪৩২

ভুয়া সনদ দিয়ে বিসিএস ক্যাডার, তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
ভুয়া সনদ দিয়ে বিসিএস ক্যাডার, তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ভুয়া অবতীর্ণ সনদ দাখিল করে ৩৮তম ও ৪১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত বিফ্রিংয়ে এ কথা জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের দুইজন সুকান্ত কুন্ডু ৪১ তম বিসিএস, সঞ্জয় দাস ৩৮ তম বিসিএস এবং পররাষ্ট্র ক্যাডারের একজন আবু সালেহ মো. মুসা ৩৮ তম বিসিএস এ জালিয়াতির মাধ্যমে অবতীর্ণ সনদ প্রস্তুতপূর্বক সনদ দাখিল করে।

উক্ত অপরাধের প্রেক্ষিতে দুদক বিধিমালা, ২০০৭ এর ১০(চ) বিধির আলোকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে দুদক।

বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় লীগ সরকারের ৩৬৫টি মামলার আসামী ইসহাক সরকারকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
   
বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় লীগ সরকারের ৩৬৫টি মামলার আসামী ইসহাক সরকারকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন মোহাম্মদ ইসহাক সরকার।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ড ও দলীয় নির্দেশ অমান্যের দায়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসহাক সরকারকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব স্তরের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।ঢাকা-৭ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসহাক সরকার। ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাপক নিপীড়নের শিকার হন। তার বিরুদ্ধে ৩৬৫টি মামলা দায়ের হয়, যার মধ্যে ১১ মামলায় তাকে সাড়ে ২২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কামরাঙ্গীরচর ও কোতোয়ালির একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ আসন ব্যবসা ও বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে আসনটি বরাবরই আলোচনায় থাকে।

বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার ভোটের অঙ্ক জটিল হয়ে উঠেছে। দলীয় প্রার্থী হামিদুর রহমানের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ইসহাক সরকার। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এনায়েত উল্লাহও মাঠে রয়েছে।

সব মিলিয়ে ঢাকা-৭ আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা নির্বাচনী ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জামায়াত এখন আর আমাকে ফজু পাগলা কয় না কয়দিন পর ‘ফজু আব্বা’ বলে ডাকবে: ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ
   
জামায়াত এখন আর আমাকে ফজু পাগলা কয় না কয়দিন পর ‘ফজু আব্বা’ বলে ডাকবে: ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ-০৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘শোনেন নাই আপনারা—ফজু পাগলা, ফজু পাগলা। এখন আর কয় না, কয়েকদিন পরে কইবো—ফজু আব্বা। জামায়াত আমারে ফজু আব্বা ডাকবে’।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ২নং ধনপুর ইউনিয়নে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘সেই পাকিস্তানের পক্ষে বাঙালিদের কিছু কুসন্তান যোগদান করেছিল। তাদেরকে বলা হতো আলবদর, রাজাকার। সেই আলবদর-রাজাকারদের অনেকেই মরে গেছে, কিন্তু তাদের সন্তানরা আছে। মরার সময় তারা তাদের সন্তানদের বলে গেছে -‘৭১ সালে আমাদের খুব অপমান হইছিল, আমাদেরকে গাছে তুলে মারছিল, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের কান কেটে দিছিল, আমরা তাদের কাছে পরাজিত হইছিলাম। আমি তো মরে যাইতাছি, তুমি যদি আমার ছেলে হও, তাহলে রাজাকার হইয়া সেই প্রতিশোধ নিও’।তিনি আরও বলেন, ‘সেই রাজাকাররা এখন আমাদের কাছে প্রতিশোধ নিচ্ছে। তারা বলতে চায়—যুদ্ধই হই নাই। যুদ্ধ হই নাই মানে কী? তোর বাপ নাই? তোর মা-বাপের মধ্যে কোনো মহামিলন হয় নাই? তাহলে তুই হইছোস কেমনে? যুদ্ধই যদি না হয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ হইছে কেমনে? কারণ দেশটার নাম তো ছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ কেমনে হইলো—বলেন তো দেখি? যুদ্ধ কইরা নাকি?’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘যুদ্ধের সাগরে পাকিস্তানের কবর হইছে, বাংলাদেশ জিতছে। এখন কয়—বাংলাদেশেই হইছে না। মানে বাপই নাই। এই যে বেজন্মা ছেলেপেলেরা যখন বলা শুরু করলো—কোনো যুদ্ধ হই নাই, ৭১-এ কোনো যুদ্ধ হই নাই, এগুলো মিছামিছি, হিন্দুস্তানের লোকেরা ষড়যন্ত্র কইরা লাগাইছিল—কেউ কথা বলে নাই, ডরে কথা বলে নাই, রাজাকারদের ডরে। ৫ই আগস্টের পরে মেরে ফেলবো—এই ভয় দেখাইতো। তখন আমি, ফজলুর রহমান, মনে করলাম—আরে, আমি তো মানুষ। আমার তো আর বেশিদিন বাঁচার স্বপ্ন নাই। ৭৭ বছরের বৃদ্ধ মানুষ আমি। আমি যদি সত্যি কথা বলে না মরি, তাহলে তো আল্লাহ আমাকে জিজ্ঞেস করবে—এই ফজলুর রহমান, যুদ্ধ হইছিল এই কথাটা তুই কেন বলস নাই? তুই জাহান্নামে যা’।

বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘তখন আমি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে টেলিভিশনে বাম হাতের এই আঙুলটা তুলে কইছিলাম—এই আলবদর রাজাকারের বাচ্চারা, মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু হইছিল। যদি অস্বীকার করোস, তাইলে আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ হইবো। এই কথাটা আমি কইছি, আর কেউ কয় নাই। মানুষ স্তব্ধ—যেমন আপনারা এখন স্তব্ধ’।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফজলুর রহমানের স্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি উম্মে কুলসুম রেখাসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জামায়াতের ইশতেহার আমার কাছে মনে হয়েছে জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছেঃ ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী

এ আর জসিম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
   
জামায়াতের ইশতেহার আমার কাছে মনে হয়েছে জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছেঃ ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের এই ইশতেহার নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন মোনামী। বুধবার (৪ ফ্রেব্রুয়ারি) ইশতেহার ঘোষণার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জামায়াতের ইশতেহারকে জনবান্ধব উল্লেখ করেন।

শেহরীন মোনামী বলেন, ‘ইশতেহারটি প্রথমত জনবান্ধব। একজন নাগরিক হিসেবে আমার কাছে এটি স্পষ্টভাবে জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েছে বলে মনে হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের বিষয়ে ইশতেহারটি ইতিবাচক ও সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে যে ধরনের পলিসি ও আইডিয়া দিয়েছেন সেটার কিছু ফিডবেকেও এসেছে। আজকে তারা আমাদের কাছে ব্যাখ্যা করে দিয়েছেন, আসলে তারা কী বলতে চেয়েছেন।

You cannot copy content of this page