খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না: জি এম কাদের

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে  নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না: জি এম কাদের

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনোভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। রংপুর নগরীর সেনপাড়ায় নিজ বাসভবন ‘দ্য স্কাইভিউ’-তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, এই নির্বাচন কার্যত একটি দলীয় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে এনসিপিকে সরকারি দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে তাদের একটি কার্যকর জোট গড়ে তোলা হয়েছে।

জি এম কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত কোনো নির্বাচনই দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। নির্বাচনব্যবস্থার অনিয়ম, কারচুপি ও পক্ষপাতের কারণেই একসময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমানে সেই অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা উপেক্ষা করেই আবারও নির্বাচন পরিচালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি দাবি করেন, বাস্তবে নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় এখনো ক্ষমতাসীনদের সরাসরি ও পরোক্ষ প্রভাব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার আচরণে নিরপেক্ষতার অভাব রয়েছে। এর ফলে নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। গণমাধ্যমে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে জি এম কাদের বলেন, ‘জাতীয় পার্টির বক্তব্য ও কার্যক্রম সঠিকভাবে প্রচার করা হচ্ছে না। অন্যদিকে নির্দিষ্ট কিছু দল ও জোটকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।’ একই সঙ্গে প্রশাসনিক প্রটোকলের অপব্যবহার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষপাতমূলক ভূমিকার কারণে জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মিছিল-মিটিং করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, হল ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে না, এমনকি স্বাভাবিক নির্বাচনী প্রচারণাও নির্বিঘ্নে করতে দেওয়া হচ্ছে না। এসব প্রতিবন্ধকতা গণতন্ত্রের জন্য অশুভ সংকেত।’

নির্বাচনী সহিংসতার চিত্র তুলে ধরে জি এম কাদের জানান, নীলফামারী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ওপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা আহত হয়েছেন, ভাঙচুর করা হয়েছে নির্বাচনী কার্যালয়।

তিনি আরো জানান, জাতীয় পার্টির একাধিক প্রার্থী এখনো কারাবন্দি রয়েছেন, যা নির্বাচনের পরিবেশকে আরো প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, ‘আমরা জানি পরিবেশ আমাদের জন্য অনুকূল নয়।

তবু জনগণের সামনে অনিয়ম, বৈষম্য ও অন্যায়ের চিত্র তুলে ধরতেই আমরা নির্বাচনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণ সত্য উপলব্ধি করবে এবং ভোটের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে।

জি এম কাদের বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার লড়াইয়ে জাতীয় পার্টি রাজপথে ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় থাকবে। নির্বাচনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা কামনা করেন।

পটুয়াখালীতে ৫০ লাখ টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কাজল মৃধা আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৩ পূর্বাহ্ণ
   
পটুয়াখালীতে  ৫০ লাখ টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কাজল মৃধা আটক

পটুয়াখালীতে কলাপাড়া উপজেলায় অর্ধকোটি টাকাসহ পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থীর কর্মীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক মো কাজল মৃধা কলাপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য বলে জানা গেছে।

কোস্টগার্ড সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার করা অর্থ ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে বিতরণ করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ সময় ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মকর্তা মো. রাব্বি ইসলাম রনি, এনএসআই প্রতিনিধি, কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী বিএনপি প্রার্থী এবিএম মোশারফ হোসেনের (০১৭১১৩…) মুঠোফোনে একাধিকবার কল করে বন্ধ পাওয়া যায়।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি টহল দল অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজনের সঙ্গে থাকা একটি বাজারের ব্যাগ তল্লাশি করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল হাসানের উপস্থিতিতে নগদ ৫০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা-৬ আসনের তিন কর্মীকে অন্যায়ভাবে দণ্ড দেওয়ার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ
   
ঢাকা-৬ আসনের তিন কর্মীকে অন্যায়ভাবে দণ্ড দেওয়ার অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

ঢাকা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নানের তিন কর্মীকে অন্যায়ভাবে দণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থী নিজেই এ অভিযোগ করেন। রাজধানীর ধূপখোলা খেলার মাঠ সংলগ্ন শহীদ জুনায়েদ চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে ড. মান্নান জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধান মোতাবেক জাল ভোট চ্যালেঞ্জিংয়ের জন্য প্রতিটি খামে ১০০ টাকার নোট ৫টা করে পুরো আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে দেওয়া হয়। একইভাবে ৪৪নং ওয়ার্ডে দেওয়া হয়েছে। খামগুলো রেডি করার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মব সৃষ্টি করে আমাদের ৩ জন নেতাকে মারধর করে।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা পাল্টা মব সৃষ্টি না করে প্রশাসনের শরণাপন্ন হলে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসে ম্যাজিস্ট্রেট কোনো শুনানি না করে আমাদের জন কর্মীকে কারাদণ্ড প্রদান করেন! যেটি পক্ষপাতিত্বের শামিল।

তিনি বলেন, জাল ভোট চ্যালেঞ্জিংয়ের টাকা থাকা অবৈধ নয় কিন্তু তিনি অন্যায়ভাবে আমাদের কর্মীকে দণ্ড দিয়ে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আমাদের কর্মীরা কারো কাছে ভোট চাইছে কিংবা টাকা বিতরণ করেছে এমন ঘটনা সেখানে ঘটেনি এবং কেউ সেটা প্রমাণও দেখাতে পারেনি।

ড. মান্নান আরো বলেন, এছাড়াও জুবিলী স্কুলে আমাদের কর্মীরা পোলিং এজেন্ট কার্ডে স্বাক্ষর করতে যাওয়ার পর বিএনপির লোকেরা সেখানেও মব সৃষ্টি করে। এবং সেখানে তারা আমাদের পোলিং এজেন্টদের মারধর করার পাশাপাশি ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর করে। পরবর্তীতে সেখানে পুলিশ এবং সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান, জাবেদ কামাল রুবেল, কাদের, রানাসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। কিন্তু পুলিশ বা সেনাবাহিনী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করেনি তারা শুধু পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। অথচ এ ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মী আমােদের ৫ জন পোলিং এজেন্ট এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে মারধর করে আহত করেছে। এই দুই ঘটনায় তিনি আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে জানান।

এ সময় তিনি আরো বলেন, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তারা নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মান্নান বলেন, যারা মব সৃষ্টি করেছে আমরাও যদি তাদের মতোই করতাম তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতো। কিন্তু আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রশাসনের শরণাপন্ন হয়েছি। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার পরিবর্তে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করেছে। যেটি দুঃখজনক এবং প্রশ্নবিদ্ধ।

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র পাহারায় বিএনপি–জামায়াত, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৯ পূর্বাহ্ণ
   
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র পাহারায় বিএনপি–জামায়াত, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে পাহারা বসিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। বুধবার রাত নয়টা থেকে তারা কেন্দ্রের আশেপাশে অবস্থান নিতে শুরু করে। একই সাথে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সড়কেও টহল ও মোড়ে মোড়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। অনুমোদনবিহীন গাড়ি আটক করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায় নগরের পাহাড়তলী রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়, আকবরশাহ বিশ্বকলোনী এলাকা, হিলভিউ আবাসিক এলাকা, উত্তর কাট্টলী, দক্ষিণ কাট্টলী, লালখান বাজার এলাকায় দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে নেতাকর্মীদের অবস্থান করছেন। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী গলিগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি রয়েছে।

কেন্দ্র থেকে ১০০-১৫০ গজের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের ভোট বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এসব বুথে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলীয় নেতা কর্মীরা। কেউ ভোট স্লিপ আলাদা করছেন, কেউ ভোটার স্লিপ বিলি করছেন। রাত এগারোটার পরও অনেক ভোটারকে বুথে এসে ভোটার স্লিপ সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

চট্টগ্রাম ১০ আসনে আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম ৮ আসনের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার একটি ভোট কেন্দ্রের বাইরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকরা একে অন্যের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমন কোনো ঘটনা এসব এলাকায় ঘটেনি। কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হওয়া নেতা কর্মীরা পরস্পরের বিরুদ্ধে নিজেরা স্লোগান দিয়েছে মাত্র।

হিলভিউ আবাসিক এলাকার ভোট কেন্দ্রের ২০০ গজ দূরে রাস্তার দুই পাড়ে বুথ বানিয়েছে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা। রাত ৯টার পর থেকেই দুটি বুথে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মীকে জড়ো হতে দেখা যায়।

বিএনপির বুথে একজন আব্দুল আলিম জানান, ২০১৮ সালে ভোটের আগের রাতেই প্রশাসনের লোকেরা ব্যালটে সিল মেরেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে এখন থেকেই পাহারা বসিয়েছেন তারা।

জামায়াতের বুথের দায়িত্বে থাকা ইসমাইল হোসেন জানান, ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসছে প্রশাসনের আচরণ ততই একপাক্ষিক হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও মারমুখী হয়ে উঠতে শুরু করেছে। দলের পক্ষ থেকে ভোর রাতে কেন্দ্রের সামনে আসার নির্দেশনা থাকলেও তারা আগের রাতেই চলে এসেছেন। জনগণের ভোট কাউকে চুরি করতে দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

You cannot copy content of this page