খুঁজুন
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিবদের সম্মানি দেবে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিন-খতিবদের সম্মানি দেবে সরকারঃ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন

বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে হাঁটল বর্তমান সরকার। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকার মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের এই বিশেষ সম্মানীর আওতায় আনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর তৃতীয় কর্মদিবস হলেও, তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে আজই তিনি প্রথম অফিস করেন। এর আগে গত দুই কার্যদিবস তিনি বাংলাদেশ সচিবালয়ে অফিস করেছিলেন।

নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকারসমূহ দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নের লক্ষে আজকের বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। উপদেষ্টা বলেন,  আমাদের নির্বাচনী একটি বড় প্রতিশ্রুতি ছিল দেশের মসজিদসমূহের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুদের রাষ্ট্রীয়ভাবে মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদান করা। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় আজ সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বেই পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে কিছু এলাকায় এই সম্মানী প্রদান শুরু হবে।

বৈঠকে কেবল ধর্মীয় খাতের উন্নয়ন নয়, বরং রাষ্ট্রের সামগ্রিক কাঠামো সংস্কার নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা হয়। বিশেষ করে বৈষম্যহীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ছিল সভার অন্যতম প্রধান বিষয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন দেশের প্রতিটি শিক্ষিত তরুণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।

এই লক্ষে শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। সভায় আলোচনা করা হয় যে, বর্তমান যুগের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কারিগরি ও বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে কর্মসংস্থানের সংকট দূর করা সম্ভব হবে না। সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে কোটা বা স্বজনপ্রীতি নয়, বরং মানুষের দক্ষতাই হবে নিয়োগের প্রধান মানদণ্ড।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটি ছিল তারেক রহমানের জন্য এক ব্যস্ততম দিন। প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রবেশকালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপরই তিনি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং সরাসরি নীতিনির্ধারণী সভায় যোগ দেন।

ব্রিফিংয়ে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে প্রতিটি ফাইল পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন। আজকের সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন আরও পরিষ্কার করেন যে, এই সম্মানী প্রকল্পটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। দেশের হাজার হাজার মসজিদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন এবং প্রকৃত হকদারদের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে প্রশাসন নিরলস কাজ করছে। ঈদের আগে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়াটি পরবর্তীতে সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে, যাতে কোনো ধর্মীয় গুরু এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা থেকে বঞ্চিত না হন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধর্মীয় সেবকদের এই সম্মানীর আওতায় আনা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি কেবল তাদের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করবে না, বরং সমাজে তাদের মর্যাদাকে আরও সুসংহত করবে। এছাড়া কর্মসংস্থান ও শিক্ষা সংস্কারের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

সরকারের এই পদক্ষেপগুলো যদি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের জোয়ার আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
   
বাহুবলের ওসি সাইফুল–বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস তুষার দ্বন্দ্বে তোলপাড়, অডিও ভাইরাল

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা-এ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপজেলা বিএনপি সভাপতির মধ্যে ফোনালাপকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ড ঘিরে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা যায়, বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাহুবল উপজেলা শাখার সভাপতি উপজেলা মধ্যে কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের সময় বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরবর্তীতে সেই ফোনালাপের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল আমি ধরতে পারিনি। পরে তিনি অন্য একটি নম্বর থেকে ফোনে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং বলেন, বাহুবলে ওসিগিরি করতে হলে তাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে।”

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষার অভিযোগ করে বলেন, ওসি মহাসড়কে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করে তা আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তিনি উত্থাপন করেন। বিষয়গুলো নিয়ে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে মৌখিকভাবে অবগত করেছেন বলেও দাবি করেন। পাশাপাশি জুয়া সংশ্লিষ্টতা ও টাকার বিনিময়ে মামলা গ্রহণের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

এ ঘটনার পর ফেরদৌস চৌধুরী তুষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। লাইভটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
   
বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু

বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কিমিটির সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তার এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আজ (শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইকবাল হাসান টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয় তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ এগুলো বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিলো এগুলো তাদের ভাষা।’তিনি বলেন, ‘এগুলো বললে আমাকে ভারতের দালাল বানিয়ে ফেলবে তারপরও আমি বলবো কারণ আমার জীবন আছে বলেই আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছি এবং আমি মন্ত্রী হয়েছি।

তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
   
তারেক রহমান দেশের বড় পাহারাদারের কাজ করবেন: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান, এখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নির্বাচন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের দুটি সভায় উনার বক্তব্য এবং কথাগুলো শোনার সুযোগ হয়েছে। উনি বড় একজন পাহারাদার হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস এবং মনে হয়েছে। উনি সততাকে বেশি মূল্যায়ন করবেন বা করছেন। প্রথমদিন থেকেই উনি প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়-মন্ত্রী ও ডিপার্টমেন্টের ব্যাপারে একটিভ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য

এ্যানি বলেন, কোন রাজনৈতিক প্রভাবে কারণে, দলীয় প্রভাবের কারনে কোন সাধারণ মানুষ, সাধারণ ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই সুযোগ থাকবে না। আমার ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব, এটা একটা আমানত। এই কঠিন দায়িত্ব পালনে করার জন্য আমি সজাগ এবং সতর্ক আছি। চেয়ে গেছিলো আমাদের দেশে দুর্নীতি। আমাদের এই দুর্নীতিমুক্ত একটা পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করা আরেকটি কঠিন চ্যালেঞ্জ।তিনি বলেন, ৫ দিন হয়েছে আমরা শপথ নিয়েছি। বিএনপি সরকার দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিরোধী দলের যারা রয়েছেন, আমরা আশা করেছিলাম যেদিন আমরা শপথ নেবো, সেদিন বিরোধীদল উপস্থিত থাকবেন। আশা করেছিলাম, তারা আমাদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করবেন। প্রথমদিন থেকেই আমরা সেই আশা নিয়ে বসে আছি এবং সামনের দিনগুলোতেও থাকবো। একটা সরকার শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের কর্মকান্ড শুরু হয়। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য যে যুদ্ধ, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা-আকাঙ্খা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সেদিন যদি উনারা উপস্থিত থাকতেন, তাহলে ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া সুন্দর হতো। হয়তো অতটুকু চিন্তা উনারা করেননি। কিন্তু এখন থেকে চিন্তা করতে হবে বিরোধী দলকে।

বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগীতা প্রয়োজন। ভোটের পরিবেশ কেমন ছিল, ভোটটা কেমন হয়েছে, কতটুকু চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা ভোট করেছি যার যার অবস্থান থেকে এটা ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু ভোট হওয়ার দিন থেকেই আমি যদি বলি ভোটটা ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, ম্যানেজ ইলেকশন হয়েছে, এটা আমাদেরকে আহত করে। এই বক্তব্যটি না দিয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটা একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের অবস্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রয়েছেন। আমরা এবং আপনাদেরকে সত্যিকারভাবে জনগণের আকাঙ্খা-প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য একটা দেশপ্রেমিক সরকার থাকবে। দেশপ্রেমিক সরকারের অংশ হিসেবে বিরোধীদলের মতের পার্থক্য থাকতে পারে, পথ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের প্রয়োজনে আমরা এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করবো।

লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেড এম ফারুকী ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।

You cannot copy content of this page