মাগুরা সদর হাসপাতালে জনপ্রতি ৫থেকে১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ডা: মোহসিন ফকিরের বিরুদ্ধে শ্রমিক নিয়োগের অভিযোগ

মাগুরা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে মোটা অংকের টাকায় গোপনে ১৪ অনিয়মিত শ্রমিক নিয়োগ!
মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে অতিগোপনে ১৪ জন অনিয়মিত শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিভাবে কোন আইনে এই সব নিয়োগ দেওয়়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। এই ১৪ জন অনিয়মিত শ্রমিকের বেতন আসবে কোথা থেকে তা কেউ জানে না। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোহসিন ফকির,তার একান্ত বিস্বস্থ কর্মচারী আফজাল ও আরএমও মিলে এই নিয়োগ দান করেছেন বলে জানাগেছে। নিয়োগ দানের আগে প্রতিজনের কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা অগ্রিম গ্রহন করা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
এদের প্রত্যেকের বেতন ধার্য করা হয়েছে মাসিক ১৮ হাজার টাকা।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন সরকারী হাসপাতালে এভাবে অনিয়মিত শ্রমিক নিয়োগের ইতিহাস নেই।
কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানে জনবল নিয়োগ দিতে হলে সরকারী নিয়োগ নীতিমালা প্রতিপালন করতে হয়। যেমন: নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া, এরপর নিয়োগ কমিটির সুপারিশ মোতাবেক চুড়ান্ত নিয়োগ প্রদান করা।
এই নিয়োগের ক্ষেত্রে তার কোনটিই করা হয়নি।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ করতে হলেও বেসরকারি আউটসোর্সিং জনবল সাপ্লায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিধান আছে। কিন্তু এই ১৪ জন কর্মচারি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রকার সরকারি বিধি বিধান মানা হয়নি। প্রশ্ন ইঠেছে যে, এদের বেতন ভাতা কে দেবে। কোথা থেকে আসবে সেই অর্থ।
মাগুরাবাসীর প্রশ্ন: তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোহসিন উদ্দিন ফকিরের আর কত দুর্নীতি দেখতে হবে জেলাবাসীকে ?
উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: মোহসিন ফকিরের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযোজন করা হবে।
  কপিরাইট © দূর্নীতির ডায়েরি সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন