আমরা (বিএনপি) বেহেশতের টিকিট দিতে পারবো না। তাই আমরা এ কথা আপনাদের দিতে পারবো না। তবে কথা দিতে পারি এলাকার উন্নয়নের বলে মন্তব্য করেছেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু।
শনিবার (২২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নে একাধিক পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, আমরা বিএনপি থেকে সেই কথাগুলো বলি যেগুলো বাস্তবায়ন যোগ্য। যেটা সম্ভব না, যেটা অসম্ভব সেটা আমরা বলি না। আমরা কৃষির উন্নয়নের কথ বলি, আমরা শিক্ষার উন্নয়নের কথা বলি। আমরা কীসের কথ বলছি, তরুণ প্রজন্মের বেকারত্ব যেন দূর হয়, দেশকে যেন এগিয়ে নেওয়া যায় সেই কথা বলছি।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাবু খান আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে সবচেয়ে নির্যাতিত জাতীয়তাবাদী দলের নেতা-কর্মীরা। হামলা সংখ্যা, মামলার সংখ্যা, গুম করে নিয়ে যাওয়ার সংখ্যা এবং যে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল তার বিচারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মী। তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হয়েছে এদেশের গণতন্ত্রের এবং সাধারণ মানুষের।
জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু খান বলেন, ভোটের মাধ্যমে যেটা নির্ধারিত হবে সেটা হলো এই, আগামী দিনে দেশের উন্নয়ন কী হবে। আর বেহেশতে যাওয়া, জান্নাতে যাওয়া এটা যার যার নিজের আমল। নিজের কর্ম। কেউ যদি আপনাদের কাছে আসে, কোরআন শরীফ আনে শুনেছি ছোট ছোট করে। নিয়ে এসে ছোয়াইতে বলে, ওনাদেরকে দয়া করে দেখাতে বলবেন কোরআনের কোন জায়গায় লেখা আছে কোন মার্কায় ভোট দিলে জানাত পাওয়া যাবে।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, জীবননগর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন, মনোহরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।