আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের ঠিক আগের রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসন। এই আসনের হাই-প্রোফাইল প্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই তথ্য জানান এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে লেখেন, “আজ আমার নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৫-এর দাঁড়িপাল্লার ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” তিনি তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে দুর্বৃত্তদের সতর্ক করে দেন।
তিনি বলেন, “যারা এখনো সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের থামিয়ে দিতে চায়, তারা ভুলে যাচ্ছে—এ জাতি জুলাই পেরিয়ে এসেছে।”কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ না করলেও তিনি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে প্রতিপক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “পেশিশক্তির রাজনীতি শেষ হয়ে গিয়েছে। জনগণকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না। যারা দেশের পলিসি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় বসতে ব্যর্থ, তারাই এখন সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।” জামায়াত আমির মনে করেন, নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়েই একটি মহল এই অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।তবে ভাঙচুর ও ভয়ভীতির পরেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “ভয়ভীতির রাজনীতি আর চলবে না। সাধারণ মানুষের বুকে যেভাবে দাঁড়িপাল্লা জায়গা করে নিয়েছে, তার প্রতিচ্ছবি আগামীকালের ভোটে ফুটে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটের ঠিক আগ মুহূর্তে দলের শীর্ষ নেতার আসনে এমন হামলার অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।