চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি অনেকটাই ‘ডু অর ডাই’ ছিল পাকিস্তানের জন্য। এমন সমীকরণে নামিবিয়ার বিপক্ষে ১০২ রানের বড় জয় পেয়েছে দলটি। এ জয়ে টুর্নামেন্টের সুপার এইট পর্ব নিশ্চিত হয়েছে পাকিস্তানের।
এই ম্যাচের আগে সমীকরণ ছিল কঠিন। ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল তিন ম্যাচ জিতে আগেই সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছিল। সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে লড়াইয়ে ছিল যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় ক্রিকেট দল। নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় চাপে ছিল পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল।
এমন সমীকরণে নিয়ে কলম্বো ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। এদিন শুরু থেকেই নামিবিয়ার বোলারদের ওপর চড়াও হয় পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান এবং সায়ম আইয়ুব।উইকেটের চারদিকে দারুণ সব শট খেলে এই দুই ওপেনার শুরু থেকেই বড় সংগ্রহের আভাস দেয়। যদিও সায়ম আইয়ুব বেশিক্ষণ ২২ গজে টেকেননি। ষষ্ঠ ওভারে জ্যাক ব্রেসেলের শিকার হন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ১২ বলে ১৪ রানের এক ইনিংস খেলেন তিনি।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে রীতিমতো ঝড় তোলেন সাহিবজাদা ফারহান। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। মাঝের সময় তাকে ভালো সঙ্গ দেন অধিনায়ক সালমান আলী এবং শাদাব খান। সালমান ২৩ বলে ৩৮ ফেরেন।
শেষদিকে শাদাব ২২ বলে অপরাজিত ৩৬ অপরাজিত এক ইনিংস খেলেন। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৯ রানের বড় পুুঁজি পায় পাকিস্তান। নামিবিয়ার জ্যাক ব্রাসেল ৪৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নামিবিয়া। দলের পক্ষে লউরেন স্টিনক্যাম্প ২২ বলে ২৩ এবং অ্যালেক্সান্দার বুসিং-লভশেঙ্ক ২০ বলে ২০ রান করেন। তবে অন্যদের ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে হার এড়ানো যায়নি।
পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণে উসমান তারিক ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। শাদাব খান ১৯ রান খরচায় তুলে নেন ৩ উইকেট।