খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২ মাঘ, ১৪৩২

আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবায়েরের নামে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছেন ঝাড়ুদার আহাদ

ক্রাইম রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবায়েরের নামে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছেন ঝাড়ুদার আহাদ

আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন এর নামে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছেন দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ। এটা প্রতিদিনের চিত্র।

আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির রেকর্ড করতে অতিরিক্ত ঘুষ আদায়, দলিলের নকল তুলতে এবং দলিল তল্লাশি করতেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদের বিরুদ্ধে।
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ভেতরে এবং বাইরের দালালদের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে ঝাড়ুদার আহাদ।
সাব-রেজিস্ট্রারের কাছের লোক হওয়ায় সে এসব অপকর্ম করে বেড়ায় এবং অফিস সহকারীর চেয়ারে বসেই ঘুষ আদায় করেন।

এদিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ঝাড়ুদার আহাদ বিভিন্ন দলিল থেকে সরকারি রেজিস্ট্রেশন এবং আনুষঙ্গিক খরচসহ ১০ শতাংশ অর্থ আদায় করে দলিল গ্রহীতাদের কাছ থেকে।

আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ এর কাছে আনোয়ারা বাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে।
এই বিষয়ে আনোয়ারা দলিল লেখক সমিতির নেতা নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ষুষ
ছাড়া কোন সেবা মিলে না, স্বাধীনতার পর থেকে আনোয়ারা বাসী এই রকম ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার দেখে নাই, এমনকি এরা দুইজন মিলে অফিসের অন্য স্টাফদের জিম্মি করে রেখেছে।
আমরা আনোয়ারা দলিল লেখক সমিতি সম্প্রতি সাব রেজিস্ট্রার জুবায়রের সীমাহীন ঘুষ ও দুর্নীতি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কলম বিরতি পালন করেছি, কিন্তু জেলা রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে জেলা দলিল লেখক সমিতি আমাদের আন্দোলন কে থামিয়ে দিয়েছে রহস্য জনক কারণে।

দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ চা নাস্তা সহ বিবিধ কাজ করার জন্য দৈনিক ৫০০ টাকা বেতনে একজন সহকারী নিযোগ দিয়েছে তার নাম অনিল দত্ত।
দৈনিক ভিত্তিক ৭০ টাকা বেতনের ঝাড়ুদার তার জন্য সহকারী নিযোগ দিয়েছেন দৈনিক ৫০০ টাকায়।
এমন কি রাতে থাকার জন্য মুসলিম হোটেল কর্মচারী বিক্রম কে দৈনিক ২০০ টাকা দিয়ে নিযোগ দিয়েছে ঝাড়ুদার আহাদ।
সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সমস্ত রুমের চাবি ঝাডুদার আহাদের নিযোগ কৃত দারোয়ান মুসলিম হোটেল কর্মচারী বিক্রমের কাছে থাকে।
সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন রবিবার এ অফিসে আসেন না, কিন্তু হাজিরা খাতায় উপস্থিতির সাক্ষর করেন।
অনলাইন জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর যোগ দানের পর বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেবা প্রাপ্তিদের কে নিরুৎসাহিত করছেন।
সাবেক সাব রেজিস্ট্রার রেজাউল করিম অনলাইন জমি রেজিস্ট্রেশন সেবা চালু রেখেছেন এবং সেবা প্রাপ্তিদের কে উৎসাহিত করেছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার জামিলের যোগসাজশে আনোয়ারা
সাব রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও দৈনিক মজুরী ভীত্তিক অফিসের ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ এর মাধ্যমে ১৫ অক্টোবর আনোয়ারা সদর ইউনিয়ন খিলপাড়া মৌজায় দেড় কোটি টাকা মৃল্যর ১০ শতক জমি সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন একই দিনে দুটি ভিন্ন দলিল এর মাধ্যমে নিবন্ধন করেন।
একটি পাওয়ার অব অ্যাটনি ( দলিল নং – ৪৪৩৫). এবং অপরটি সাব কবলা দলিল ( দলিল নং- ৪৪৩৭)।
সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে একই দিনে একই জমি দুটি দলিল নিবন্ধন করেন।
একই দিনে একই জমি পাওয়ার অব অ্যাটনি এবং সাব কবলা দলিল নিবন্ধন বেআইনী।

আনোয়ারায় সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন যোগ দানের পর আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রারি অফিসে ঘুষের দোকান খুলে দৈনিক মজুরী ভীত্তিক অফিসের ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ কে ঘুষের দোকানের ক্যাসিয়ার বানিয়ে ঘুষের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও ঝাড়ুদার আহাদের ঘুষ-দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ আনোয়ারাবাসী।
আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের ঘুষের দোকানের দৈনিক আয় প্রায় তিন লাখ।
যত দলিল তত টাকা।
নিরীহ জনগণ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং লক্ষ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দলিলের কমিশনে যেয়ে আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ঝাড়ুদার আহাদ দাতা-গ্রহিতাদের ভয়ভীতি দেখিয়েও মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলেই দলিল রেজিস্ট্রি বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে ঝাড়ুদার আহাদের বিরুদ্ধে।

সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের নির্দেশে ঝাড়ুদার আহাদ ঘুষের টাকা, সরকারি ফ্রি আদায়, রেকর্ড রুমের তত্ত্বাবধান সহ সব লেনদেন করেন অফিস সহকারীর চেয়ারে বসেই।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন কর্মজীবনে যেখানে গেছেন
সেখানেই বির্তক সৃষ্টি করেছেন – জাল দলিল – বেনামী দলিল – কাগজপত্র ছাড়া দলিল সৃজন করে এবং ঘুষের দোকান খুলে শিরোনাম হয়েছেন।
এই বিষয়ে জানার জন্য সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর হোসেন কে একাধিক বার কল করলে ও রিসিভ না করে বার বার ফোন কেটে দেন।
এই বিষয়ে জানার জন্য জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান সাথে যোগাযোগ করলে, তিনি বলেন আমাকে তো কেউ এই পযন্ত অভিযোগ দেয় নাই, উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেন আপনারা লিখিত অভিযোগ দেন আমি তদন্ত করে দেখব, দায়সারা অগোছালো কথা বলেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অধীনে ২২টি উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস রয়েছে, প্রতি মাসে উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ঘুষের লাখ লাখ টাকা জেলা রেজিস্ট্রারের পকেটে ডুকে।

তাই এইসব দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেন না জেলা রেজিস্ট্রার।

উল্লাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসের জামায়াতে যোগদান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
   
উল্লাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অভিযুক্ত যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসের জামায়াতে যোগদান

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত পলাতক ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আরও প্রায় ৩০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক জামায়াতে যোগদেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের বাগমারা বাজারে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সমাবেশে এই যোগদান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন। তিনি নবাগতদের ফুলের মালা দিয়ে দলে বরণ করেন।

দলে যোগদানকারীদের মধ্যে উধুনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস উল্লেখযোগ্য। তিনি উধুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিলের ছেলে বলে জানা গেছে।জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আব্দুল মালেক শান্ত অভিযোগ করে বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী উধুনিয়া ইউনিয়নের ১৬ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনায় আব্দুল কুদ্দুসের সম্পৃক্ততা ছিল এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানো হয়। তিনি আরো অভিযোগ করেন ৩ আগষ্ট উল্লাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী হামলা করে এদের সাথে আব্দুল কুদ্দুস ও ছিলে। তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার এড়াতে আব্দুল কুদ্দুস ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।তবে উধুনিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল আলীম বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আব্দুল কুদ্দুস জামায়াতে ইসলামীর সদস্যপদের ফরম পূরণ করেন। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি দলে যোগ দেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ থেকে ৩ জন এবং বিএনপি থেকে ৪৭ জনসহ মোট প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক এদিন জামায়াতে যোগদান করেছেন।

জয়ী হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ হবে না বিএনপির এই দুই প্রার্থীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
   
জয়ী হলেও আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ হবে না বিএনপির এই দুই প্রার্থীর

নির্বাচনে জিতলেও বিএনপি মনোনীত দুই প্রার্থীর আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফল স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

তাঁরা হলেন চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁরা নির্বাচন করতে পারবেন, তবে বিজয়ী হলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত থাকবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে পৃথক আপিল করেছিল জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রাখে।ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আনোয়ার সিদ্দিকী ও যমুনা ব্যাংক পৃথক রিট করলে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আনোয়ার সিদ্দিকী ও যমুনা ব্যাংক আপিল বিভাগে আবেদন করে। আনোয়ার সিদ্দিকীর করা লিভ টু আপিল ও ব্যাংকের করা আবেদনের ওপর গত সোমবার শুনানি হয়। পরে গতকাল লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত থাকবে।

এদিকে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানি শেষে গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে সরোয়ার আলমগীর রিট করলে হাইকোর্ট ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন নুরুল আমিন।

আপিল বিভাগ গতকাল লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) মঞ্জুর করেন। আদেশে বলা হয়, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন সরোয়ার আলমগীর, তবে তিনি বিজয়ী হলে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশ স্থগিত থাকবে।

বাংলাদেশ বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরের বাসার নির্যাতিত গৃহকর্মী মোহনাকে হাসপাতালে বিমান উপদেষ্টা

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
   
বাংলাদেশ বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরের বাসার নির্যাতিত গৃহকর্মী মোহনাকে হাসপাতালে বিমান উপদেষ্টা

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমানের বাসার নির্যাতিত গৃহকর্মী শিশু মোহনার (১১) চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে মোহনার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা মোহনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন। শিশুটির চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।

এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বিমানের এমডি ড. হুমায়রা সুলতানা, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন এবং হাসপাতালের পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম।

মোহনার উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমাকে তোমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। তোমার আর ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমরা তোমার পাশে আছি।”পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে মোহনার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। মোহনার সঙ্গে আচরণ জাতির জন্য লজ্জাজনক বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা। মোহনার চিকিৎসার ব্যয়সহ তার সব দায়িত্ব সরকার বহন করবে বলেও জানান।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীরা ইহকাল ও পরকালে উপযুক্ত শাস্তি পাবে।” এছাড়া তিনি মোহনার বাবা মোস্তফাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, শিশু মোহনা বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমানের বাসার গৃহকর্মী। গত ৩১ জানুয়ারি গুরুতর জখম অবস্থায় মোহনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাফিকুর রহমান ও তার স্ত্রীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

You cannot copy content of this page