খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৯ মাঘ, ১৪৩২

ভয়ভীতির রাজনীতি আর চলবে না,নিজ আসনে ১৩টা বুথ ভাঙচুর হওয়ায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
ভয়ভীতির রাজনীতি আর চলবে না,নিজ আসনে ১৩টা বুথ ভাঙচুর হওয়ায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের ঠিক আগের রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসন। এই আসনের হাই-প্রোফাইল প্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই তথ্য জানান এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করেন।

ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে লেখেন, “আজ আমার নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৫-এর দাঁড়িপাল্লার ১৩টি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” তিনি তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে দুর্বৃত্তদের সতর্ক করে দেন।

তিনি বলেন, “যারা এখনো সন্ত্রাস ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের থামিয়ে দিতে চায়, তারা ভুলে যাচ্ছে—এ জাতি জুলাই পেরিয়ে এসেছে।”কোনো নির্দিষ্ট দলের নাম উল্লেখ না করলেও তিনি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে প্রতিপক্ষের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “পেশিশক্তির রাজনীতি শেষ হয়ে গিয়েছে। জনগণকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না। যারা দেশের পলিসি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় বসতে ব্যর্থ, তারাই এখন সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে।” জামায়াত আমির মনে করেন, নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়েই একটি মহল এই অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।তবে ভাঙচুর ও ভয়ভীতির পরেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, “ভয়ভীতির রাজনীতি আর চলবে না। সাধারণ মানুষের বুকে যেভাবে দাঁড়িপাল্লা জায়গা করে নিয়েছে, তার প্রতিচ্ছবি আগামীকালের ভোটে ফুটে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটের ঠিক আগ মুহূর্তে দলের শীর্ষ নেতার আসনে এমন হামলার অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা কেন্দ্র দখল করে কারচুপির চেষ্টা করেছে: মির্জা আব্বাস

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
   
জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা কেন্দ্র দখল করে কারচুপির চেষ্টা করেছে: মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ আসনের ভোটকেন্দ্র দখল করে জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা কারচুপির চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনে অনিয়মের চেষ্টা রুখে দেয়া হবে জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, এনসিপি ও জামাত-শিবিরের নেতাকর্মীরা দলবলে বিভিন্ন কেন্দ্রে যাচ্ছে। ওখানে গিয়ে কী করছে বোঝা ডিফিকাল্ট। জনগণ ও আমাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় তাদের আটকও করেছে। অনেক জায়গায় তারা পালিয়ে গেছে।মির্জা আব্বাসের দাবি, সিদ্ধেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়সহ অন্তত ৭টি কেন্দ্রে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বিএনপি কর্মী ও স্থানীয়দের সাহায্যে তাদের রোধ করা হয়। কয়েকজনকে ধরে রমনা থানায় দেয়া হলেও তাদের পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি এ সময় নির্বাচনী সহিংসতার শঙ্কা জানিয়ে বলেন, ফকিরাপুল-আরামবাগের বিভিন্ন মেস-হোস্টেলে সশস্ত্র অবস্থান করছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। তারা কাল ভোট কেন্দ্রে যাবে। তবে রাত ১১টার পর যদি আবারও তারা কেন্দ্রে যায়, তাহলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি। মির্জা আব্বাস আরও বলেন, আমার আসন নিয়ে বহু আগে থেকেই পূর্ব পরিকল্পনা ছিল তাদের। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারচুপির আশঙ্কার কথা আগে থেকেই বলেছি আমি। আমরা চাই, সুষ্ঠু নির্বাচন হোক।

বহুল প্রতীক্ষিত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আজ

দুর্নীতির ডায়েরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৪ পূর্বাহ্ণ
   
বহুল প্রতীক্ষিত সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। এই নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন। সঙ্গে প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ড্রোনের নজরদারি।

বাংলাদেশে ভোট একদিকে উৎসবের নাম, অন্যদিকে সংঘাত, সহিংসতা আর কেন্দ্র দখলের মঞ্চায়ন। ফলে ১২টি নির্বাচনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত উৎসব বহাল ছিল চারটি নির্বাচনে। বাকি আটটিতে ভোটের মর্যাদা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এবারের নির্বাচনে আগের তুলনায় ভোটার সংখ্যা বেড়েছে। তাই ভোট ও ভোটারের নিরাপত্তায় এবার বাড়তি আয়োজন রাখা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের কারচুপি এড়াতে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে বডিওর্ন ক্যামেরা যুক্ত ২৫ হাজার পুলিশ সদস্য। মাথার ওপর নজরদারি করবে পাঁচশর বেশি ড্রোন। এবার সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী মিলিয়ে মাঠে থাকবে প্রায় ৯ লাখ সদস্য। যেখানে মূল দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ ও আনসারের সাত লাখের বেশি সদস্য। সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ১ লাখ সেনা সদস্য, নৌ এবং বিমানবাহিনীও থাকবে বিশেষ নজরদারিতে। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা। এর সঙ্গে আছেন দুই হাজার ১০০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

নির্বাচন কমিশন বলছে, কেবল বাহিনী মোতায়েন নয়; বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। এদিকে জাতীয় সংসদ ও গণভোট একই দিনে হওয়ায় ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। দেশে নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫০টি দল এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই হাজার ২৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে থাকা দলটির শীর্ষ নেতারা এ নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ৪৫ হাজার ৩৩০ জন দেশীয় পর্যবেক্ষক এবং প্রায় ৩৫০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক। এছাড়া প্রায় ৯ হাজার ৭০০ জন সাংবাদিক নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে বিদেশি সাংবাদিক রয়েছেন ১৫৬ জন। এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে ড্রোন, বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও ব্যাপকভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ৯০ শতাংশের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি নিশ্চিত করা হয়েছে।

শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে মোট ৯ ঘণ্টা নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

পাশাপাশি এবার নতুনভাবে পোস্টাল ভোট ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একদিনে দুটি ভোট আয়োজনের কারণে বাড়তি সময় প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইসি জানায়, গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ফল নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখবেন তরুণ ভোটাররা। এবার ৩৫ বছরের নিচে ভোটারের সংখ্যা চার কোটি ৯০ লাখ ৪৩ হাজার ৫৬১ জন। এর মধ্যে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি ভোটার রয়েছেন ২ কোটি ১২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩১ জন। এ বয়সসীমার ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৯০২ জন, নারী ৯৪ লাখ ৯০ হাজার ২২১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ৪০৮ জন।

অন্যদিকে ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সি ভোটার রয়েছে এক কোটি ৭৮ লাখ ১ হাজার ৩০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার এক কোটি ৪১ লাখ ১ হাজার ৯০, নারী ভোটার ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫৬২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ৫৬৭ জন। ইসি সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার এক হাজার ২৩২ জন। আজ দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। এটি পরবর্তীতে নতুন তফসিল অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

নির্বাচনে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্র থেকে ভোটগ্রহণ হবে, যার মধ্যে ২১ হাজার ৫০৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভোট পরিচালনায় ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এদের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার ৪২ হাজার ৭৭৯, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ এবং পোলিং অফিসার ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন। এবারের নির্বাচনে ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই বিভাগীয় কমিশনার, ৬৪ জেলা প্রশাসক এবং তিনজন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন। ২৯৯ আসনের ভোটে মোট ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশ নিচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী সংখ্যা দুই হাজার ২৮ জন। দলীয় প্রার্থী এক হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৩ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮৩ জন, যার মধ্যে ৬৩ জন দলীয় এবং ২০ জন স্বতন্ত্র। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা এক হাজার ৯৪৬ জন, এর মধ্যে এক হাজার ৬৯২ জন দলীয় এবং ২৫৩ জন স্বতন্ত্র। ভোটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য এক লাখ তিন হাজার, নৌবাহিনীর উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ১৭ আসনে ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র?্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, আনসার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন এবং বিএনসিসি ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য দিয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া নির্বাচনি অপরাধের বিচারকাজে নিয়োজিত আছেন ৬৫৭ জন বিচারিক হাকিম, এক হাজার ৪৭ জন নির্বাহী হাকিম এবং নির্বাচনি তদন্ত কমিটিতে ৩০০ বিচারিক হাকিম।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনি অপরাধের ৪৬৮টি আচরণ বিধি ভঙ্গের মামলায় ২৫৯টি মামলায় প্রার্থী ও সমর্থকদের ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্বাচনি তদন্ত কমিটি সংক্ষিপ্ত বিচারে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে। ভোটে ইসির নিমন্ত্রণে বিদেশি পর্যবেক্ষক ৫৭ জন, স্বেচ্ছায় ৩৩৫ জন এবং বিদেশি সাংবাদিক ১৫৬ জন এরই মধ্যে দেশে এসেছে। দেশি পর্যবেক্ষক রয়েছে ৮০ সংস্থার ৪৪ হাজার ৯৯৫ জন।

বিরামপুরে ভোটারদের মাঝে জিলাপির টোকেন বিতরণের সময় জামায়াতের তিন নেতাকর্মী আটক

দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
   
বিরামপুরে ভোটারদের মাঝে জিলাপির টোকেন বিতরণের সময় জামায়াতের তিন নেতাকর্মী আটক

দিনাজপুরের বিরামপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মাঝে জিলাপির টোকেন বিতরণের সময় জামায়াতে ইসলামের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিরামপুর পৌর শহরের পলাশবাড়ী গ্রামে ভোটারদের মাঝে টোকেন দেওয়ার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া নওরীনের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করে।আটকরা হলেন- বিরামপুর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল সরকার, একই এলাকার মৃত লালু ব্যাপারীর ছেলে শামসুল হক, গড়েরপার শিমুলতলী গ্রামের মৃত ফজর উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল। তারা সবাই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।বিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া নওরীন জানান, পৌর শহরের পলাশবাড়ী গ্রামে ভোটারদের মাঝে জিলাপির টোকেন বিতরণ করার সময় জামায়াতে ইসলামের তিন নেতাকর্মীকে আটক করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে সেখানে হাজির হয়। এ সময় ২৫টি জিলাপির টোকেনসহ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাদেরকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

You cannot copy content of this page