রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। বুধবার বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম মনে করেন, রাষ্ট্রপতির নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণেই ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, ফলে তিনি এ দায় এড়াতে পারেন না। নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আর্থিক অনৈতিকতার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। অভিভাবক হিসেবে যে সম্মান ও শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব প্রয়োজন, তা বর্তমানে তাঁর মধ্যে নেই। তাই দ্রুত তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে পদ থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করা বর্তমান সরকারের অন্যতম দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতির পরিবর্তনের দাবি জনগণের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তাঁকে রাখা হয়েছিল। তবে এখন নতুন সরকার ও সংসদ গঠিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতির বিদায় কেবল সময়ের ব্যাপার বলে তিনি জানান। নাহিদ ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ দাবি জানান। নাহিদ ইসলাম মনে করেন, রাষ্ট্রপতির নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণেই ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, ফলে তিনি এ দায় এড়াতে পারেন না।
নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আর্থিক অনৈতিকতার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। অভিভাবক হিসেবে যে সম্মান ও শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব প্রয়োজন, তা বর্তমানে তাঁর মধ্যে নেই। তাই দ্রুত তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে পদ থেকে সরিয়ে গ্রেপ্তার করা বর্তমান সরকারের অন্যতম দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপতির পরিবর্তনের দাবি জনগণের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তাঁকে রাখা হয়েছিল। তবে এখন নতুন সরকার ও সংসদ গঠিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতির বিদায় কেবল সময়ের ব্যাপার বলে তিনি জানান।
নাহিদ ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সপরিবারে ইফতার অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে দাওয়াত গ্রহণ করেছেন।
বুধবার সকালে দাওয়াতপত্র নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করে জামায়াতের প্রতিনিধি দল।
সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জামায়াত নেতাদের এই আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মুঠোফোনে বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির সব বিতর্কের জায়গা যেন সংসদ হয়। এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে জামায়াত নেতারা বলেন, রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন হতে পারে, তবে অতীতের মতো রাজনীতিতে খারাপ চর্চা যেন না হয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, বিরোধী দল ও সরকারি দলের মধ্যে সুন্দর সমন্বয় ও সহমিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার খন্দকার এহসান হাবীবের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছাত্রদলকর্মী হৃদয়, আলামিনসহ আরো কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী খন্দকার এহসান হাবীব জানান, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে উপাচার্য দপ্তরে যায়। সে সময় তিনি উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারীর (পিএস) কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে মেডিকেল সেন্টারের সামনে ইমরান হোসেন প্রধান ও আলামিনের নেতৃত্বে একটি দল তার পথরোধ করে জানতে চায়, তিনি কেন উপাচার্য দপ্তরে গিয়েছিলেন এবং ভবিষ্যতে সেখানে যেতে নিষেধ করে।
তিনি বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ড. মাহবুবুর রহমান লিটনকে অবহিত করার কথা বললে ইমরান ও হৃদয় তার ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করেন। এ সময় অপর উপ-রেজিস্ট্রার আমিনুল ইসলাম বাধা দিতে গেলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়।
উল্লেখ্য, খন্দকার এহসান হাবীব জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা প্যানেল থেকে দুইবার সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করায় তিনি তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একাধিক মামলার শিকার এবং চাকরিচ্যুত হন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে ৫ আগস্টের পর উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হন।
এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা উপাচার্যের কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে তাকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি ইমরান হোসেন প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের আলোচিত উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল জাহান চৌধুরী বুধবার (২৫ফেব্রুয়ারি) বিকালে জামিনে মুক্তি পেয়েই কক্সবাজার-৩ আসনের নবনির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজলের সাথে পুষ্পমাল্য নিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় তার সাথে ছিলেন জামিনে মুক্তি পাওয়া আরেক আলোচিত ব্যাক্তি ফিরোজ আহমদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা মূহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে। উপজেলার রাজনৈতিক বোদ্ধাদের অভিমত আলোচিত সোহেল জাহান চৌধুরী বিএনপির সংসদ সদস্যদের সাথে সাক্ষাতের ঘটনায় উপজেলা বিএনপিতে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ সৃষ্টি হতে পারে।প্রসঙ্গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রকাশ্যে ঈদগাঁও পাল পাড়সহ ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানে ধানের শীষের জন্য ভোট ক্যাম্পেইন শুরু করেন আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল জাহান চৌধুরী। যা ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলে। পরদিন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে নিজ ঘর থেকে তাকে যৌথবাহিনী আটক করে।
আপনার মতামত লিখুন